সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৫%বাতাস ৪ কিমি/ঘ

শুক্রবার জমজমাট বৃক্ষমেলা, ৫০-৬০ লাখ টাকা বিক্রির আশা

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে চলমান জাতীয় বৃক্ষমেলায় গাছপ্রেমী ও দর্শনার্থীদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিনে নানা বয়সী মানুষ ছুটে আসছেন গাছ কিনতে ও দেখতে।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে চলমান জাতীয় বৃক্ষমেলায় গাছপ্রেমী ও দর্শনার্থীদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিনে নানা বয়সী মানুষ ছুটে আসছেন গাছ কিনতে ও দেখতে।

মেলা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিগত ৪ দিনের লাগাতার বৃষ্টিতে মেলায় তেমন লোকজন হয়নি। আজ শুক্রবার থাকায় ও বৃষ্টি কমে যাওয়ায় মানুষের ভিড় বেড়েছে। এ অবস্থায় আজ ৫০ থেকে ৬০ লাখ টাকার বিক্রির আশা করছেন তারা।

শুক্রবার (১১ জুলাই) সরেজমিনে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বৃক্ষামেলা ঘুরে দেখা গেছে, জুমার নামাজের পর থেকে মেলা প্রাঙ্গণে বেড়েছে জনসমাগম। কেউ এসেছেন ইনডোর প্ল্যান্ট কিনতে, কেউ ফুল ও কাঠ, কেউ বা আবার এসেছেন ফলজ ও ঔষধি গাছের খোঁজে। অনেকেই পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঘুরে দেখেছেন বাহারি গাছের সমারোহ।

তরুণদের মধ্যে ইনডোর প্ল্যান্টস, যেমন- মানি প্ল্যান্ট, স্নেক প্ল্যান্ট, সাকুলেন্ট, ক্যাকটাসের প্রতি ছিল বাড়তি আগ্রহ। অন্যদিকে, বয়স্করা খুঁজেছেন লেবু, আম, কাঁঠাল, পেয়ারা, জামরুলসহ নানা ফলজ গাছ। নারীদের অনেকে কিনছেন চুইঝাল, মশলা, বনজ ও ঔষধি গাছ।

মালিবাগ থেকে গাছ কিনতে এসেছেন আজহারুল ইসলাম। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ঢাকায় ভাড়া থাকি। বাসায় ছোট্ট একটা বারান্দা আছে। একটা লেবু গাছ আর কিছু ইনডোর প্ল্যান্টস নিয়েছি। পর্যাপ্ত জায়গা থাকলে বাগান করার ইচ্ছা ছিল।

মেলায় নার্সারির মালিক ও বিক্রয়কর্মীরা জাগো নিউজকে জানান, গত কয়েকদিন বৃষ্টিতে মানুষ কম এসেছে। আজ ছুটির দিন, অন্যদিকে বৃষ্টিও নেই। ফলে মানুষের ভিড় বাড়ছে, বেচাকেনাও হচ্ছে।

ইব্রাহিম নার্সারীর ইব্রাহিম হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, আগের চেয়ে বৃক্ষপ্রেমী বাড়ছে। কিন্ত আমাদের শহরে গাছ লাগানোর পর্যাপ্ত জায়গাও নেই। কেউ ছাদেও আলাদা রুম করে ভাড়া দিচ্ছেন, কেউ বা আবার পুরো ছাদ জুড়ে বাগান করছেন। অনেক বৃক্ষপ্রেমী আছেন যাদের গাছ কেনার প্রবল ইচ্ছা। কিন্ত জায়গার অভাবে তারা কিনতে পারছেন না।

মেলার আয়োজকরা জানিয়েছেন, এবারের মেলা বিগত কয়েক বছরের তুলনায় বড় পরিসরে হচ্ছে। মানুষের উপস্থিতিও ভালো। বাহারি রকমের গাছে মানুষও আকর্ষিত হচ্ছে। বৃষ্টির বাগড়া না থাকলে এই কয়েকদিনে মেলা জমে উঠবে।

মেলায় বন অধিদপ্তরের লাইব্রেরিয়ান শাহেনা আক্তার জাগো নিউজকে বলেন, আমাদের সর্বশেষ হিসেব অনুয়ায়ী ৯ তারিখে ২১ লাখ টাকার গাছ বিক্রি হয়েছে। গত ২৫ জুন থেকে ৯ জুলাই পর্যন্ত ৬ লাখ ৬২ হাজার ৫৮১ টি চারা বিক্রি হয়েছে। আজ দর্শনার্থী বেড়েছে। আজকেও আশা করি অনেক গাছ বিক্রি হবে। অনেকে মেলার সময় বাড়ানোর অনুরোধ করছেন। আমাদের কর্তৃপক্ষ পরবর্তীতে এই বিষয়ে জানাবেন।

তিনি বলেন, আমাদের এখানে মেলা চলাকালীন একজন ডাক্তার রয়েছেন। অনেকে দর্শনার্থী ও বিক্রয়কর্মী অসুস্থ হয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা নিচ্ছেন।

জানা গেছে, এবারের মেলায় ১৩৫টি নার্সারি অংশ নিয়েছে। স্টলে স্টলে গাছের পাশাপাশি বিক্রি হচ্ছে মাটি, টব, জৈব সারসহ বাগান করার নানা উপকরণ। পরিকল্পিত বনায়ন করি, সবুজ বাংলাদেশ গড়ি- স্লোগান নিয়ে গত ২৫ জুন বৃক্ষমেলা শুরু হয়। আগামী ২৪ জুলাই মেলা শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। মেলা চলছে প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত।

আরএএস/এএমএ/এএসএম

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

২০২৫ সালে বিশ্বে বন উজাড় কমেছে ১৫ শতাংশ, তবু ২০৩০ সালের লক্ষ্য নাগালের বাইরে

ফরেস্ট ডিক্লারেশন অ্যাসেসমেন্ট ২০২৬ বলছে, ২০২৫ সালে বিশ্বে ৭০ লাখ হেক্টর বন হারিয়েছে, যা ২০১৮-২০ সালের পর সবচেয়ে বড় বার্ষিক পতন। তবে ২০৩০ সালের মধ্যে বন উজাড় বন্ধের পথ থেকে বিশ্ব ১ কোটি ৭ লাখ হেক্টর পিছিয়ে।

ডাউন টু আর্থ১৭ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

খাবার পানি বাঁচাতে কৃষকদের এক মৌসুম ধান না লাগানোর অনুরোধ তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রীর

বৃষ্টির ঘাটতি প্রায় ২৮ শতাংশ, জলাধারে স্বাভাবিক ৪৬২ টিএমসির জায়গায় পানি মাত্র ২০০ টিএমসি ফুট। মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডি বলছেন, আগামী বর্ষা পর্যন্ত খাবার পানি নিশ্চিত করতে কৃষিকে এক মৌসুম ছাড় দিতে হবে।

ডাউন টু আর্থ১৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সমুদ্র ঠান্ডা হলেও ১৫০ বছর গলতে থাকবে অ্যান্টার্কটিকার ‘ডুমসডে’ হিমবাহ

ব্রিটিশ অ্যান্টার্কটিক সার্ভের মডেলিং গবেষণা বলছে, সমুদ্রের তাপে গলন পুরো বন্ধ করে দিলেও পশ্চিম অ্যান্টার্কটিকার থোয়াইটস হিমবাহ বরফ হারাতে থাকবে। এটি পুরোপুরি ধসে পড়লে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়বে প্রায় ৬৫ সেন্টিমিটার।

ইউরোনিউজ১৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)