সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ২৩ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৭°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬৮%বাতাস ৭ কিমি/ঘ

মতামত: আমেরিকার প্রোটিনের ঝোঁকের লাভ যেন কৃষকের ঘরেও পৌঁছায়

নর্দার্ন অ্যাগ নেটওয়ার্কে লেখা কলামে অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতা র‍্যান্ডিন গ্রেগ বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রে প্রোটিনের বাড়তি চাহিদা খামারির আয় বাড়াবে তখনই, যখন গ্রামেই বেশি প্রক্রিয়াজাতকরণ ও মূল্য সংযোজন হবে।

মতামত: আমেরিকার প্রোটিনের ঝোঁকের লাভ যেন কৃষকের ঘরেও পৌঁছায়
মতামত

যুক্তরাষ্ট্রের জেনারেশন জেডের মধ্যে সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো 'প্রোটিনম্যাক্সিং', অর্থাৎ যত বেশি সম্ভব প্রোটিন খাওয়ার ঝোঁক দিয়ে শুরু হয়েছে অঙ্গরাজ্যের প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য র‍্যান্ডিন গ্রেগের কলাম। তিনি হাউস ডিস্ট্রিক্ট ৭৮-এর প্রতিনিধি এবং হাউস এডুকেশন কমিটির সহসভাপতি; লেখাটি প্রকাশ করেছে নর্দার্ন অ্যাগ নেটওয়ার্ক। মতামত লেখকের নিজস্ব।

ইন্টারন্যাশনাল ফুড ইনফরমেশন কাউন্সিলের জরিপ উদ্ধৃত করে গ্রেগ লিখেছেন, নির্দিষ্ট পরিমাণ বা যত বেশি সম্ভব প্রোটিন খাওয়ার চেষ্টা করা আমেরিকানের হার ২০১৫ সালের ৫৪ শতাংশ থেকে ২০২৫ সালে ৭০ শতাংশে উঠেছে। ইউএসডিএর ইকোনমিক রিসার্চ সার্ভিসের হিসাবে মাথাপিছু লাল মাংস ও পোলট্রির প্রাপ্যতা ২০১৫ সালের প্রায় ২১১.২ পাউন্ড থেকে ২০২৬ সালে আনুমানিক ২২৮.৮ পাউন্ডে দাঁড়াচ্ছে। তিনি মনে করিয়ে দেন, ইউএসডিএ এগুলোকে প্রাপ্যতার হিসাব বলে, যা প্রত্যেকে ঠিক কতটা খান তার মাপ নয়, ভোগের একটি আনুমানিক সূচক।

সবচেয়ে বেশি বেড়েছে মুরগির মাংস, মাথাপিছু প্রায় ৮৯.১ পাউন্ড থেকে আনুমানিক ১০৫.৬ পাউন্ড; এরপর গরুর মাংস, প্রায় ৫৪.৪ থেকে ৬০ পাউন্ড। শূকরের মাংস প্রায় ৪৯ থেকে ৫০ পাউন্ডে স্থির, আর টার্কি প্রায় ১৫.৮ থেকে কমে ১৩.৬ পাউন্ড। লেখক উল্লেখ করেছেন হুইয়ের কথা: পনির তৈরির একসময়ের কম দামি উপজাত এখন ছেঁকে ঘন করে শুকনো ভিত্তিতে অন্তত ৯০ শতাংশ প্রোটিনের আইসোলেট বানানো হয়, যা বার, শেক, সিরিয়াল ও ওয়াফলে মেশানো হচ্ছে। এতে দুগ্ধ খামারিদের দুধের আরেকটি বাজার খুলেছে।

লেখকের মতে, এই চাহিদার পেছনে কয়েকটি কারণ একসঙ্গে কাজ করছে: জিএলপি-১ ওজন কমানোর ওষুধ, যার চিকিৎসায় পেশি রক্ষায় পর্যাপ্ত প্রোটিন ও শক্তি অনুশীলনের ওপর জোর দিয়েছে ২০২৫ সালের এক যৌথ ক্লিনিক্যাল পরামর্শ; ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে প্রকাশিত ২০২৫-২০৩০ খাদ্য নির্দেশিকা, যাতে প্রতিবেলায় প্রোটিনকে অগ্রাধিকার দিতে এবং অতিপ্রক্রিয়াজাত খাবার, বাড়তি চিনি ও পরিশোধিত শর্করা অনেক কমাতে বলা হয়েছে; শরীরচর্চার সংস্কৃতি; আর কম প্রক্রিয়াজাত খাবারের দিকে ভোক্তাদের ঝোঁক।

তাঁর মূল যুক্তি, চাহিদা বাড়লেই খামারির আয় আপনাআপনি বাড়ে না। গরুর মাংস, মুরগি ও দুধ উৎপাদকেরা লাভবান হন, ভুট্টা, সয়াবিন, যবসহ পশুখাদ্যের চাষিরাও; ডাল ও অন্যান্য উদ্ভিজ্জ প্রোটিনের প্রতিও আগ্রহ আছে। কিন্তু মূল্যের বড় অংশ ধরে রাখতে হলে উৎপাদনের কাছাকাছি আরও প্রক্রিয়াজাতকরণ দরকার: মাংস ও দুগ্ধ প্রক্রিয়াজাতকরণ, হুই ও দুধের প্রোটিন উৎপাদন, সয়াবিন মাড়াই এবং ডালের উপাদান আলাদা করা।

গ্রেগ লিখেছেন, পণ্য গ্রামীণ আমেরিকা ছাড়ার আগে যত বেশি মূল্য যোগ করা যাবে, ভোক্তার বাড়তি চাহিদার অংশ তত বেশি ফিরবে সেই কৃষক, পশুপালক ও গ্রামীণ জনপদে, যারা খাবারটি উৎপাদন করেছেন।

ছবি: USDAgov / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)

সূত্র: Northern Ag Network

নর্দার্ন এজি নেটওয়ার্কসূত্র

মতামত

সম্পর্কিত খবর

মতামত

মতামত: বৈঠকের প্রতিশ্রুতি পৌঁছাক আফ্রিকার স্বাস্থ্যসেবায়, লিখছেন আমরেফের প্রধান

সাইডেভ ডট নেটে লেখা কলামে আমরেফ হেলথ আফ্রিকার গ্রুপ প্রধান নির্বাহী গিথিনজি গিতাহি বলছেন, নিউইয়র্ক ও বার্লিনের বৈশ্বিক স্বাস্থ্য বৈঠকের প্রতিশ্রুতিকে আস্থাভাজন, নির্ভরযোগ্য সেবায় বদলাতে হবে, আর কিগালির সম্মেলন থেকে দায়িত্ব, সময়সূচি ও অর্থ ঠিক করে ফিরতে হবে।

SciDev.Net২৪ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মতামত

ছয় ঋতুর চেনা রূপ ম্লান হচ্ছে, চাপে ধানের মাঠ থেকে মানুষের স্বাস্থ্য

প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ সহসম্পাদক মো. ছানাউল্লাহ লিখেছেন, তাপ ও বৃষ্টির ছন্দ বদলে ঋতুর চেনা বৈশিষ্ট্য আর কৃষির সময়সূচি দুটোই বদলাচ্ছে; সমাধান শুরু করতে হবে বিজ্ঞানের তথ্যকে মাঠের সিদ্ধান্তে যুক্ত করে।

প্রথম আলো২৪ অক্টোবর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
মতামত

মতামত: পাহাড়ি বন্যার জন্য প্রস্তুত নয় আসামের বন্যাকেন্দ্রিক দুর্যোগ ব্যবস্থা

চার বছরে ডিমা হাসাও ও উজান আসামে দুটি ধ্বংসাবশেষবাহী পাহাড়ি বন্যার পর অর্থনীতিবিদ মৃণাল শইকিয়া লিখেছেন, রাজ্যকে পাহাড়ি দুর্যোগের প্রস্তুতি নিতে হবে এবং খনন ও বন উজাড়কে দুর্যোগ-ঝুঁকি হিসেবে গণ্য করতে হবে।

ডাউন টু আর্থ২৩ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)