সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৫%বাতাস ৪ কিমি/ঘ

ইঁদুর খেয়ে ফসল বাঁচায় নির্বিষ দাঁড়াশ, কালাচের সঙ্গে গুলিয়ে মারবেন না

দাঁড়াশ সম্পূর্ণ নির্বিষ ও কৃষকের বন্ধু, কিন্তু রাতে চলা কালাচ মারাত্মক বিষধর; দুটিকে চেনার উপায় তুলে ধরেছেন লেখক আলমাস তাহমিদ।

ইঁদুর খেয়ে ফসল বাঁচায় নির্বিষ দাঁড়াশ, কালাচের সঙ্গে গুলিয়ে মারবেন না
পরিবেশ

সাপ দেখলেই মেরে ফেলার প্রবণতায় প্রতিবছর অনেক উপকারী সাপ মারা পড়ে। লেখক আলমাস তাহমিদ দেশ রূপান্তরে লিখেছেন, বাংলাদেশের সাপের প্রায় ৭০ শতাংশই নির্বিষ, আর কৃষকের সবচেয়ে বড় ভুল হলো নির্বিষ দাঁড়াশ ও বিষধর কালাচকে গুলিয়ে ফেলা।

দাঁড়াশ (Ptyas mucosa) সম্পূর্ণ নির্বিষ। গায়ের রং সাধারণত হালকা বাদামি, হলুদ-বাদামি বা জলপাই, চোখ বড়, মাথা সরু, শরীর লম্বা ও চিকন। এটি দিনে চলে, গাছে ওঠে, সাঁতারও কাটে। দাঁড়াশ ইঁদুর, ছুঁচো, ব্যাঙ ও পোকামাকড় খেয়ে ফসল রক্ষা করে; লেখকের হিসাবে একটি দাঁড়াশ প্রায় তিন বিঘা জমির ইঁদুর নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।

অন্যদিকে কালাচ (Bungarus caeruleus) মারাত্মক বিষধর। গা চকচকে কালো বা গাঢ় নীলচে, ঘাড় থেকে লেজ পর্যন্ত জোড়ায় জোড়ায় সাদা বলয়, চোখ ছোট, মাথা চ্যাপ্টা। এটি নিশাচর; কামড়ে প্রায়ই ব্যথা বা দাগ কম থাকে, কিন্তু বিষ অত্যন্ত তীব্র।

দাঁড়াশের লেজে কাঁটা থাকা, গরুর দুধ চুষে খাওয়া বা বিষ থাকার মতো কুসংস্কারগুলো ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করেছেন লেখক। সাপের জিহ্বা বিভক্ত হওয়ায় কোনো সাপই দুধ চুষতে পারে না।

লেখকের পরামর্শ, দাঁড়াশ দেখলে তাকে বাঁচতে দিন; কালাচ দেখলে নিরাপদ দূরত্বে থেকে বিশেষজ্ঞকে খবর দিন। রাতে মশারি টাঙিয়ে ঘুমান এবং বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার রাখুন। কৃষকের জন্য দাঁড়াশ রক্ষা মানে ইঁদুরের হাত থেকে ফসল রক্ষা।

ছবি: Thomas Brown / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.0)

সূত্র: দেশ রূপান্তর

দেশ রূপান্তরসূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

২০২৫ সালে বিশ্বে বন উজাড় কমেছে ১৫ শতাংশ, তবু ২০৩০ সালের লক্ষ্য নাগালের বাইরে

ফরেস্ট ডিক্লারেশন অ্যাসেসমেন্ট ২০২৬ বলছে, ২০২৫ সালে বিশ্বে ৭০ লাখ হেক্টর বন হারিয়েছে, যা ২০১৮-২০ সালের পর সবচেয়ে বড় বার্ষিক পতন। তবে ২০৩০ সালের মধ্যে বন উজাড় বন্ধের পথ থেকে বিশ্ব ১ কোটি ৭ লাখ হেক্টর পিছিয়ে।

ডাউন টু আর্থ১৭ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

খাবার পানি বাঁচাতে কৃষকদের এক মৌসুম ধান না লাগানোর অনুরোধ তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রীর

বৃষ্টির ঘাটতি প্রায় ২৮ শতাংশ, জলাধারে স্বাভাবিক ৪৬২ টিএমসির জায়গায় পানি মাত্র ২০০ টিএমসি ফুট। মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডি বলছেন, আগামী বর্ষা পর্যন্ত খাবার পানি নিশ্চিত করতে কৃষিকে এক মৌসুম ছাড় দিতে হবে।

ডাউন টু আর্থ১৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সমুদ্র ঠান্ডা হলেও ১৫০ বছর গলতে থাকবে অ্যান্টার্কটিকার ‘ডুমসডে’ হিমবাহ

ব্রিটিশ অ্যান্টার্কটিক সার্ভের মডেলিং গবেষণা বলছে, সমুদ্রের তাপে গলন পুরো বন্ধ করে দিলেও পশ্চিম অ্যান্টার্কটিকার থোয়াইটস হিমবাহ বরফ হারাতে থাকবে। এটি পুরোপুরি ধসে পড়লে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়বে প্রায় ৬৫ সেন্টিমিটার।

ইউরোনিউজ১৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)