সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৫%বাতাস ৪ কিমি/ঘ

ঝড়-বৃষ্টিতে ধানের ক্ষতির আশঙ্কা

বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের প্রভাবে গত সোমবার রাত থেকে বুধবার পর্যন্ত ঠাকুরগাঁও জেলায় টানা বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়া বয়ে গেছে। এতে ৬ হাজার ১৮০ হেক্টর জমির কাঁচা-পাকা আমন ধানের গাছ নুয়ে প

বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের প্রভাবে গত সোমবার রাত থেকে বুধবার পর্যন্ত ঠাকুরগাঁও জেলায় টানা বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়া বয়ে গেছে। এতে ৬ হাজার ১৮০ হেক্টর জমির কাঁচা-পাকা আমন ধানের গাছ নুয়ে পড়েছে। পানি দ্রুত না সরলে ধানের বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা করছেন কৃষকেরা। তবে কৃষি বিভাগ বলছে, জেলায় যে পরিমাণ বৃষ্টি হয়েছে, তাতে ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা খুব একটা নেই।

কৃষকেরা জানান, সোমবার রাত থেকে ঠাকুরগাঁওয়ে টানা বৃষ্টি শুরু হয়। মাঝেমধ্যে বৃষ্টির সঙ্গে চলে দমকা হাওয়া। কখনো গুঁড়ি গুঁড়ি, কখনো প্রবলবেগে বৃষ্টি হয়। বুধবারও থেমে থেমে ভারী বৃষ্টি হয়েছে। এতে জেলার আমন ও রবি ফসলের খেত পানিতে তলিয়ে গেছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার সরেজমিনে দেখা যায়, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রুহিয়ার ঘনিমহেশপুর, সালন্দরের শিংপাড়া, আউলিয়াপুরের কচুবাড়ি হাটপাড়া, আকচার নীমবাড়ি, বঠিনা, ঢোলারহাট এলাকার বড়দ্বেশ্বরীসহ বিভিন্ন এলাকার মাঠঘাট তলিয়ে গেছে। ডুবে গেছে খেতের আমন ধান। অনেক এলাকায় ধানগাছ মাটিতে নুয়ে পড়েছে। দুই একটা ছাড়া প্রায় সব খেতের ধানই মাটিতে হেলে পড়েছে।

আউলিয়াপুরের কচুবাড়ি হাটপাড়া এলাকার কৃষক বিকাশ রায় চৌধুরী চার একর জমিতে আমন আবাদ করেছেন। ১৫ দিন পর খেতের ধান কাটার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু টানা বৃষ্টির সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়ায় তাঁর খেতের ধানগাছ মাটিতে নুয়ে পড়েছে। তাতে ফলন পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে আশঙ্কায় আছেন তিনি। বিকাশ রায় চৌধুরী বলেন, ‘কত কষ্ট করে আমরা আবাদ করেছি। আর যখন কাটার সময় হলো, তখন পাকা ধানে মই দিয়ে গেল বৃষ্টি।’ এলাকার প্রায় সব খেতের ধানের একই অবস্থা বলে জানান বিকাশ।

সদর উপজেলার আকচার বঠিনা এলাকায়ও আমন ধানের গাছ নুয়ে পড়েছে। সেখানে কথা হয় আমনচাষি জগেশ্বর বর্মণের সঙ্গে। তিনি জানান, শুয়ে পড়া ধানগাছে কয়েক দিনের মধ্যেই পোকায় আক্রমণ করবে। এতে ধান চিটা হয়ে যাবে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ঠাকুরগাঁও কার্যালয়ের উপপরিচালক আবু হোসেন জানান, জেলায় চলতি মৌসুমে ১ লাখ ৩৭ হাজার ২৫ হেক্টর জমিতে আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। আবাদ হয়েছে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৩১৫ হেক্টর জমিতে। এখন মাঠে ৬ শতাংশ জমির ধান থোর আবস্থায়, ৩৯ শতাংশ জমির ধান ফুল অবস্থায় রয়েছে। এ সময়টা একটু সংবেদনশীল। জেলার ৬ হাজার ১৮০ হেক্টর জমির ধানগাছ নুয়ে পড়েছে। নুয়ে পড়ার কারণে এ দুই পর্যায়ের জমির ধানে ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ঠাকুরগাঁও কার্যালয়ের উপপরিচালক আবু হোসেন আরও বলেন, বৃষ্টিতে আমন ধান ছাড়াও ৬৫০ হেক্টর জমির শীতকালীন আগাম সবজি এবং ২৫০ হেক্টর জমির আগাম আলুর জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জমি থেকে পানি নেমে গেলে সবজির ক্ষতির আশঙ্কা নেই। তবে মুলাজাতীয় সবজি নষ্ট হয়ে যেতে পারে। যাঁরা আগাম আলু লাগিয়েছেন, তাঁদের রোপণ করা আলুবীজ পঁচে যাওয়ার আশঙ্কা থাকবে। বৃষ্টির কারণে জেলায় ফসলের কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে, তা কয়েক দিনের মধ্যে নিরূপণ করা সম্ভব হবে।

প্রথম আলোসূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

২০২৫ সালে বিশ্বে বন উজাড় কমেছে ১৫ শতাংশ, তবু ২০৩০ সালের লক্ষ্য নাগালের বাইরে

ফরেস্ট ডিক্লারেশন অ্যাসেসমেন্ট ২০২৬ বলছে, ২০২৫ সালে বিশ্বে ৭০ লাখ হেক্টর বন হারিয়েছে, যা ২০১৮-২০ সালের পর সবচেয়ে বড় বার্ষিক পতন। তবে ২০৩০ সালের মধ্যে বন উজাড় বন্ধের পথ থেকে বিশ্ব ১ কোটি ৭ লাখ হেক্টর পিছিয়ে।

ডাউন টু আর্থ১৭ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

খাবার পানি বাঁচাতে কৃষকদের এক মৌসুম ধান না লাগানোর অনুরোধ তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রীর

বৃষ্টির ঘাটতি প্রায় ২৮ শতাংশ, জলাধারে স্বাভাবিক ৪৬২ টিএমসির জায়গায় পানি মাত্র ২০০ টিএমসি ফুট। মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডি বলছেন, আগামী বর্ষা পর্যন্ত খাবার পানি নিশ্চিত করতে কৃষিকে এক মৌসুম ছাড় দিতে হবে।

ডাউন টু আর্থ১৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সমুদ্র ঠান্ডা হলেও ১৫০ বছর গলতে থাকবে অ্যান্টার্কটিকার ‘ডুমসডে’ হিমবাহ

ব্রিটিশ অ্যান্টার্কটিক সার্ভের মডেলিং গবেষণা বলছে, সমুদ্রের তাপে গলন পুরো বন্ধ করে দিলেও পশ্চিম অ্যান্টার্কটিকার থোয়াইটস হিমবাহ বরফ হারাতে থাকবে। এটি পুরোপুরি ধসে পড়লে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়বে প্রায় ৬৫ সেন্টিমিটার।

ইউরোনিউজ১৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)