সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৫%বাতাস ৪ কিমি/ঘ

সাপে কামড়ালে কোনোভাবেই এই ভুলগুলো করবেন না

বৃষ্টির মৌসুমে বৃষ্টির তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে বিভিন্ন এলাকায় পানি জমে থাকে, সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও দেখা দেয় বন্যা। বন্যা মানেই বিভিন্ন কীট-পতঙ্গের পাশাপাশি সাপের উপদ্রব। এই চিত্র কেবল গ্রামেরই নয়, শহরেও বর্ষাকালে অনেক বাসায় সাপ উঠে আসে।

বৃষ্টির মৌসুমে বৃষ্টির তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে বিভিন্ন এলাকায় পানি জমে থাকে, সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও দেখা দেয় বন্যা। বন্যা মানেই বিভিন্ন কীট-পতঙ্গের পাশাপাশি সাপের উপদ্রব। এই চিত্র কেবল গ্রামেরই নয়, শহরেও বর্ষাকালে অনেক বাসায় সাপ উঠে আসে।

এছাড়া যারা বর্ষার সময় বনে বা পাহাড়ে ঘুরতে যান তাদেরও প্রায় সময় সাপের কবলে পড়তে হয়। বিগত বছরগুলোতে দেশজুড়ে সাপে কামড়ানোর ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। তবে সব সাপের বিষ থাকে না, আবার সব বিষধর সাপের কামড়ও তাৎক্ষণিকভাবে প্রাণঘাতী নয়। কিন্তু সঠিক জ্ঞান না থাকার কারণে অনেকেই পরিস্থিতি সামাল দিতে পারেন না। এমন অনেক কাজ তারা করেন, যার কারণে জীবন আরও হুমকির মুখে পড়ে যায়। চলুন, সাপে কামড়ালে কী করবেন এবং কোন কাজগুলো অবশ্যই করবেন না, তা জেনে নেওয়া যাক-

সাপেকাটা ব্যক্তিকে যত দ্রুত সম্ভব হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করা উচিত। স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে সেই এলাকার পরিচিত সাপের বিষের জন্য ওষুধ থাকে। তবে হাসপাতালে যাওয়ার পথে আক্রান্ত ব্যক্তিকে বাঁচানোর জন্য তাৎক্ষণিকভাবে কিছু কাজ করা যেতে পারে-

সাপে কামড়ানো ব্যক্তি অতিরিক্ত আতঙ্কিত হন, এই মানসিক অবস্থায় কোনো ভুল সিদ্ধান্ত প্রাণঘাতী হতে পারে। তাই আক্রান্ত ব্যক্তির ভয় দূর করার জন্য তাকে সাহস দিতে হবে। নির্বিষ সাপে কামড়ালে মৃত্যু হয় না, তাই যে সাপে কামড়েছে তার বর্ণনা শুনে নিন। বাংলাদেশের বিষধর সাপের সংখ্যা খুবই কম। তাছাড়া এগুলো অধিকাংশ সময় শিকারের শরীরে পর্যাপ্ত বিষ ঢুকিয়ে দিতে ব্যর্থ হয়। তাই আতঙ্কিত না হয়ে চিকিৎসকের কাছে পৌঁছানোকে বেশি গুরুত্ব দিন।

ব্যক্তির আক্রান্ত অঙ্গকে অবশ্যই স্থির করে রাখতে হবে। খুব বেশি নড়াচড়া করা যাবে না। হাঁটাচলা বা ঝাঁকুনি থেকে বাঁচিয়ে স্থির ভাবে আধশোয়া অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করুন।

ক্ষতস্থানে হালকা চাপ দিয়ে ব্যান্ডেজ বেঁধে দিতে হবে। এই প্রাথমিক চিকিৎসাটির নাম প্রেসার ইমোবিলাইজেশন। হাসপাতাল দূরে হলে আক্রান্ত ব্যক্তিকে এভাবে ব্যান্ডেজ করিয়ে নিয়ে রওয়ানা দেওয়া ভালো। ব্যান্ডেজের বদলে গামছা বা ওড়নাজাতীয় কাপড়ও ব্যবহার করতে পারেন।

রোগী শ্বাস নিচ্ছে কি না খেয়াল করুন। না নিলে তাৎক্ষণিক তার মুখে শ্বাস দেওয়ার ব্যবস্থা করুন।

সাপ শরীরের যে স্থানে কামড়িয়েছে, যে জায়গাটি জীবাণুমুক্ত করার জন্য সাবান দিয়ে ধুয়ে ভেজা কাপড় দিয়ে হাল্কা ভাবে মুছে নিতে হবে। আক্রান্ত ব্যক্তির পরনে কোনো অলঙ্কার, ঘড়ি, তাগা বা তাবিজ থাকলে তা খুলে ফেলতে হবে। এগুলো রক্তপ্রবাহে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

২০২৪ সালের জুন মাসে প্রথম আলোর একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, এখনো সাপের কামড়ে আক্রান্ত ৬১ শতাংশ মানুষ ওঝার কাছে যান; যাদের বেশির ভাগই ভুল চিকিৎসা দেন।

তাই সাপে কাটা ব্যক্তিকে ওঝার কাছে নিয়ে অযথা সময় নষ্ট করবেন না। সাপটি যদি বিষধর হয়, তাহলে এই সময় নষ্ট ওই ব্যক্তির মৃৃত্যুর কারণ হতে পারে।

আক্রান্ত স্থানে কোনো ধরনের ভেষজ ওষুধ, উদ্ভিদের বীজ, লালা, গোবর, কাদা বা পাথর লাগাবেন না। এতে কোনো উপকার তো হবেই না, বরং অপকার হতে পারে।

নাগ-নাগিনীর সিনেমা দেখে অনেকেই মনে করেন যে, আক্রান্ত স্থানে মুখ দিয়ে টেনে বিষ বের করলে রোগী ভালো হয়ে যায়। কিন্তু সাপের বিষ আসলে লসিকা ও রক্তের মাধ্যমে ছড়ায়, যা এ পদ্ধতিতে বের করা অসম্ভব। এছাড়া আক্রান্ত স্থানে যিনি মুখ দিচ্ছেন, তার জন্যও বিষয়টি ক্ষতিকর।

পুরোনো একটি চর্চা হলো, সাপে কামড়ানোর স্থানে অনেকে শক্ত বাঁধন বা গিট দিয়ে বেঁধে ফেলা। যেহেতু বিষ রক্তের মাধ্যমে ছড়ায়, তাই বিষক্রিয়া ছড়িয়ে পড়া বন্ধ করতে কামড়ানোর স্থান থেকে কিছুটা ওপরের দিকে শক্ত করে বাঁধা হয়। মূলত এর কোনও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। এতে বরং উল্টো রক্ত প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়। ফলে সঠিক রক্ত প্রবাহের অভাবে টিস্যুতে পচন বা নেক্রোসিস-এর উপক্রম হতে পারে।

সাপ কামড়ানোর স্থানে ছুরি বা ব্লেড দিয়ে আঁচড় দেওয়া যাবে না। বিষ বের করার জন্য অনেকে এমনটি করে থাকেন। কিন্তু এর জন্য অবশ্যই বিশেষজ্ঞের সরণাপন্ন হওয়া উচিত। এভাবে এলোপাথাড়ি কেটে বিষ বের করা সম্ভব না।

সাপে কামড়ানোর ব্যথা দূর করতে মোটেই অ্যাস্পিরিন জাতীয় ওষুধ খাওয়াবেন না। সেই সঙ্গে কোনো ধরনের রাসায়নিক পদার্থ লাগানো বা তা দিয়ে আক্রান্ত স্থানে সেঁক দেওয়া ঠিক নয়।

অনেক সময় আক্রান্ত ব্যক্তির খাবার বা ঢোক গিলতে কিংবা কথা বলতে সমস্যা হয়। পাশাপাশি নাকি কণ্ঠ, বমি বা অতিরিক্ত লালা নিঃসরণের মতো ঘটনা ঘটতে পারে। এর প্রতিকার হিসেবে অনেকে তাকে কিছু খাইয়ে বমি করানোর চেষ্টা করেন। এই কাজটি করা বিপজ্জনক ও অনুচিত।

কাউকে সাপে কামড়ালে তাকে তাৎক্ষণিক প্রথমিক চিকিৎসা দেওয়ার বেশ কিছু কার্যকর উপায় আছে। তাই সাপের বিষ বের করার বা ব্যথা কমানোর যে ভুল ধারণা ও কুসংস্কার সমাজে প্রচলিত, এগুলো পাত্তা দেবেন না। আক্রান্ত ব্যক্তিকে যত দ্রুত সম্ভব হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করবেন। যথাযথ চিকিৎসা পেলে তার বেঁচে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যাবে।

সূত্র: ইউএনবি

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

২০২৫ সালে বিশ্বে বন উজাড় কমেছে ১৫ শতাংশ, তবু ২০৩০ সালের লক্ষ্য নাগালের বাইরে

ফরেস্ট ডিক্লারেশন অ্যাসেসমেন্ট ২০২৬ বলছে, ২০২৫ সালে বিশ্বে ৭০ লাখ হেক্টর বন হারিয়েছে, যা ২০১৮-২০ সালের পর সবচেয়ে বড় বার্ষিক পতন। তবে ২০৩০ সালের মধ্যে বন উজাড় বন্ধের পথ থেকে বিশ্ব ১ কোটি ৭ লাখ হেক্টর পিছিয়ে।

ডাউন টু আর্থ১৭ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

খাবার পানি বাঁচাতে কৃষকদের এক মৌসুম ধান না লাগানোর অনুরোধ তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রীর

বৃষ্টির ঘাটতি প্রায় ২৮ শতাংশ, জলাধারে স্বাভাবিক ৪৬২ টিএমসির জায়গায় পানি মাত্র ২০০ টিএমসি ফুট। মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডি বলছেন, আগামী বর্ষা পর্যন্ত খাবার পানি নিশ্চিত করতে কৃষিকে এক মৌসুম ছাড় দিতে হবে।

ডাউন টু আর্থ১৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সমুদ্র ঠান্ডা হলেও ১৫০ বছর গলতে থাকবে অ্যান্টার্কটিকার ‘ডুমসডে’ হিমবাহ

ব্রিটিশ অ্যান্টার্কটিক সার্ভের মডেলিং গবেষণা বলছে, সমুদ্রের তাপে গলন পুরো বন্ধ করে দিলেও পশ্চিম অ্যান্টার্কটিকার থোয়াইটস হিমবাহ বরফ হারাতে থাকবে। এটি পুরোপুরি ধসে পড়লে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়বে প্রায় ৬৫ সেন্টিমিটার।

ইউরোনিউজ১৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)