৫৬০০ টাকায় বিক্রি হলো এক ইলিশ
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় সুনু গাজী নামের এক জেলের জালে ধরা পড়েছে এককেজি ৮০০ গ্রাম ওজনের একটি ইলিশ। পরে মাছটি পাঁচ হাজার ৬২৫ টাকায় বিক্রি করেছেন তিনি।
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় সুনু গাজী নামের এক জেলের জালে ধরা পড়েছে এককেজি ৮০০ গ্রাম ওজনের একটি ইলিশ। পরে মাছটি পাঁচ হাজার ৬২৫ টাকায় বিক্রি করেছেন তিনি।
টাঙ্গাইলে এবার পাটের বাম্পার ফলন হয়েছে। চলতি মৌসুমের শুরুতেই 'সোনালি আঁশ' পাটের দাম গত বছরের চেয়ে বেশি পাচ্ছেন কৃষকেরা। ভালো দাম পাওয়ায় খুশি জেলার পাট চাষিরা। বোরো ধানের চেয়ে এবার জেলায় পাটের আবাদ ভালো হয়েছে বলে চাষিরা জানিয়েছেন। কৃষি বিভাগ বলছে, পাট চাষিদের সার্বিক সহযোগিতা করা হচ্ছে।
সম্প্রতি 'ইলিশের দামের লাগাম টানতে কেন্দ্রীয়ভাবে মূল্য নির্ধারণে যাচ্ছে সরকার-' শীর্ষক খবরে চোখ আটকে গেল। ইতোমধ্যে প্রধান উপদেষ্টার সম্মতি পাওয়ার পর বিষয়টি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শুরু করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে ইলিশের দাম নির্ধারণের একটি প্রস্তাব পাঠান
কথায় বলে মাছে ভাতে বাঙালি। আর রসনাতৃপ্তি বাঙালির প্রিয় মাছ ইলিশ। বর্ষা কিংবা দূর্গাপূজা এলেই মাছে-ভাতে বাঙালির মন উচাটন হয় ইলিশের জন্য। কলকাতা ও এর পার্শ্ববর্তী শহরতলীর মাছ বাজারে গেলেই দেখা মিলছে ইলিশের। তবে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখন মাছের রানী ইলিশ দিয়ে বাঙালির রসনাতৃপ্ত করতে কত খরচ করতে হবে? কার
ভরা মৌসুমেও পর্যাপ্ত ইলিশের দেখা মিলছে না বরিশালের ইলিশ মোকামে। যে পরিমাণ মাছ আসছে তা অতিরিক্ত দামের কারণে কিনতে পারছেন না সাধারণ ক্রেতারা। আগে এমন সময়ে হাজার মণ ইলিশ এলেও বর্তমানে ১৫০-২০০ মণ ইলিশ আসছে মোকামগুলোতে। সংশ্লিষ্টরারা বলছেন, ইলিশের সরবরাহ কম থাকায় দাম কিছুটা বেশি, সরবরাহ বাড়লে দাম কমবে।
একদিকে ডিলারদের অনীহায় সরকারি গুদামে পড়ে রয়েছে সার। অপরদিকে সংকটে পড়ে খুচরা দোকান থেকে বেশি দামে সার কিনছেন চাষিরা। যা নিয়ে ব্যাপক ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে কৃষকদের মধ্যে।
ইলিশের মৌসুম ধরা হয় জুন থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত। এবার মৌসুম শুরু হলেও অধরা এই রুপালি মাছ। এদিকে দামের কারণে ক্রেতারা অসন্তোষ।
চাঁদপুর মাছঘাটে ইলিশের হাঁকডাকে মুখর পরিবেশ। ঘাটে ভিড়েছে ট্রলার, শ্রমিকরা ট্রলার থেকে ঝকঝকে রুপালি ইলিশ নামিয়ে আড়তের সামনে স্তূপ করে রাখছে। সেই স্তূপ থেকে ক্রেতা- বিক্রেতাদের কাছে ইলিশ বিক্রি হচ্ছে। সরবরাহ থাকায় শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের দম ফেলার ফুরসত নেই।
ঝালকাঠির ৩৬ গ্রামে পেয়ারার উৎপাদন গত বছরের চেয়ে কম হয়েছে। উৎপাদন কম হলেও ভালো দাম পাচ্ছেন চাষিরা। তবুও খুশি হতে পারেননি তারা। চাষিদের ভাষ্যমতে, এক বিঘা জমিতে পেয়ারা উৎপাদন হওয়ার কথা প্রতিদিন ১০ মণ। সেখানে উৎপাদন হচ্ছে আড়াই থেকে তিন মণ। যে কারণে দাম বেশি পেলেও কাঙ্ক্ষিত উপার্জন সম্ভব হচ্ছে না। আষাঢ়,
দেশে ইলিশের দাম চড়া। এই অবস্থার মধ্যে দুর্গা পূজা উপলক্ষে ভারতের ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশ থেকে ইলিশ চেয়ে চিঠি দিয়েছেন, যা এখন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পর্যালোচনাধীন বলে জানা গেছে।
ভরা মৌসুমে বাজারে এখন ছোট-বড় সব ধরনের ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে। তবে দামের কারণে ক্রেতার নাগালে তো নেই এমনকি যারা বিক্রি করছেন তারা পর্যন্ত ইলিশ খাওয়ার সাহস পাচ্ছেন না। এখন এক কেজি ওজনের একটা ইলিশ কিনতে যে পয়সা গুনতে হচ্ছে সে টাকায় সাড়ে ৩ কেজি গরুর মাংস কেনা সম্ভব।
ভাই ইলিশ কত করে? এটা (দেড় কেজি ওজনের) এক দাম ৩ হাজার ২০০ টাকা কেজি। এটা (এক কেজি ওজনের) নিলে ২ হাজার ৮০০ টাকা কেজি। ছোটগুলো (৩০০-৪০০ গ্রাম) ১ হাজার ৮০০ টাকা কেজি।
১০-১২ দিন আগেও যে গালা আপেল বিক্রি হয়েছে ৩৮০ থেকে ৪০০ টাকা কেজি, সেই আপেল এখন বিক্রি হচ্ছে ৪২০ থেকে ৪৫০ টাকা। শুধু গালা আপেল নয়, এই কয়েকদিনের ব্যবধানে সবুজ আপেল, মাল্টাসহ প্রায় সব রকমের ফলের দামই বেড়েছে।