ইলিশের দো পেঁয়াজা রাঁধবেন যেভাবে
এখনই প্রাণ ভরে ইলিশ মাছ খাওয়ার মৌসুম। বর্ষায় সবার ঘরেই কমবেশি ইলিশের পদ তৈরি হয়। ইলিশ ভাপা, পাতুরি কিংবা পাতলা ঝোল তো প্রায়ই খান, এবার না হয় ইলিশের দো পেঁয়াজা খেয়ে প্রাণ জুড়ান।
এখনই প্রাণ ভরে ইলিশ মাছ খাওয়ার মৌসুম। বর্ষায় সবার ঘরেই কমবেশি ইলিশের পদ তৈরি হয়। ইলিশ ভাপা, পাতুরি কিংবা পাতলা ঝোল তো প্রায়ই খান, এবার না হয় ইলিশের দো পেঁয়াজা খেয়ে প্রাণ জুড়ান।
বিদেশ থেকে এসে এক বন্ধুকে নিয়ে পোল্ট্রি খামার করেছিলেন ফেনীর দাগনভূঁঞা উপজেলার জগৎপুরের বাসিন্দা শরিফ। বন্যায় তার চারটি পোল্ট্রি খামারে থাকা সাত হাজার মুরগির বাচ্চা ও মুরগির খাবার সবই নষ্ট হয়ে গেছে। কিছু সরিয়ে বাড়ির ছাদে রাখলেও সেখানে তাদের ব্যবস্থাপনা ঠিক না হওয়ায় মারা গেছে অনেক মুরগি। আর কিছু বিক্
এখনই প্রাণ ভরে ইলিশ মাছ খাওয়ার মৌসুম। বর্ষায় সবার ঘরেই কমবেশি ইলিশের পদ তৈরি হয়। ইলিশ ভাপা, পাতুরি কিংবা পাতলা ঝোল তো প্রায়ই খান, এবার না হয় ইলিশের লটপটি খেয়ে প্রাণ জুড়ান।
কলকাতাসহ পশ্চিমবঙ্গের বাজারগুলোতে দেখা নেই ইলিশের। যা দুয়েকটা মিলছে, তারও দাম আকাশছোঁয়া। এর ফলে কমে গেছে বেচাকেনা। তাতে যেমন বিক্রেতারা হতাশ, তেমনি মনখারাপ ক্রেতাদেরও।
দেশের মানুষকে না খাইয়ে ইলিশ বাইরে পাঠানো কোনোমতেই অ্যাপ্রুভ করেন না মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। তিনি বলেছেন, দেশের মানুষ ইলিশ পাবে না, আর বিদেশে রপ্তানি হবে, এটা হতে পারে না। আগে দেশকে গুরুত্ব দিতে হবে।
বর্ষাকালে ইলিশ খাওয়ার ধুম পড়ে যায় ঘরে ঘরে। যদিও ইলিশের দাম বেশ চড়া, তবুও এই মাছের স্বাদ নিতে একদিনের জন্য হলেও অনেকেই বাজার থেকে বড় মাপের ইলিশ কিনে ঘরে ফেরেন। শুধু ইলিশের সুস্বাদু পদ খাওয়ার জন্য।
মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) মধ্যরাতে শেষ হয়েছে সাগরে মাছ ধরার ওপর ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা। এরইমধ্যে উপকূলে মাছ শিকার করা জেলেরা মাছ ধরার সামগ্রী নিয়ে সমুদ্রে নেমেছেন। তবে সমুদ্র উত্তাল থাকায় গভীর সমুদ্রের জেলেরা এখনো তীরে বসে আছেন। ৬৫ দিনের অবরোধ শেষ হতে না হতেই বৈরি আবহাওয়ার প্রভাব, তার ওপরে দেশব্যাপী চলমান কা
বর্ষার মৌসুমে বাজারে সহজলভ্য হয়ে ওঠে ইলিশ মাছ। তবে বাজারে গিয়ে ইলিশ কেনার সময় অনেকেই ঠকে যান। টাটকা ইলিশ কিনতে গিয়ে অনেকেই বাসি-পচা মাছ কিনে আনেন বেশি দাম দিয়ে।
'আষাঢ়ে বাদল নামে খাল-বিল থৈ থৈ, লাফিয়ে ওঠে টেংরা-পুঁটি তাই নিয়ে হৈ চৈ'। আষাঢ়ের শেষের দিকে খাল-বিল, নদী-নালাসহ চারদিকে পানিতে টইটুম্বুর। এ সময় দেশীয় মাছের অবাধ বিচরণ দেখা যায়। বৈশাখ মাসের নতুন পানিতে সাধারণত মাছের বংশ বৃদ্ধি হয়। দেশীয় মাছের স্বাদ নিতে গ্রামের খালে এবং উন্মুক্ত জলাশয়ে চাই-বুছনা (এক ধর
ইলিশ মাছের নাম শুনলেই জিভে পানি এসে যায় সবার। বছরের অন্যান্য সময়ের তুলনায় বর্ষায় ইলিশ মাছের চাহিদা বেড়ে যায়। শুধু স্বাদেই নয়, স্বাস্থ্যের জন্যও অনেক উপকারী এই মাছ। বর্ষায় প্রায় প্রতিদিনই সবার ঘরে ইলিশের বাহারি পদ রান্না হয়।
ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে ইলিশের ভরা মৌসুম শুরু হলেও জেলেদের জালে মিলছে না কাঙ্ক্ষিত ইলিশ। ফলে প্রতিদিনই চরম হতাশা নিয়ে তীরে ফিরছেন জেলেরা। আর নদীতে আশানুরূপ ইলিশের দেখা না পেয়ে ধার-দেনা ও ঋণের কিস্তি পরিশোধ নিয়ে চিন্তিত তারা।
দীর্ঘদিন পর চাঁদপুর বড়স্টেশন মাছঘাটে বেড়েছে ইলিশের সরবরাহ। সরবরাহ বাড়ায় কর্মব্যস্ততা বেড়েছে ব্যবসায়ী ও শ্রমিকদের। ক্রেতা-বিক্রেতাদের হাঁকডাকে মুখরিত মৎস্য আড়ত।
বঙ্গোপসাগরে মাছের উৎপাদন ও মজুত বাড়ানো লক্ষ্যে মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞার মধ্যে পটুয়াখালীর বাজারগুলোতে মিলছে বড় আকারের ইলিশ। বিক্রেতাদের দাবি, এসব ইলিশ মাছ স্থানীয় নদীর, যার অধিকাংশই পায়রা নদীতে ধরা পড়েছে বলে দাবি তাদের।