গ্যালারিছবিতে পাবনার ধলাবুক মাছরাঙার শিকার
বাংলাদেশে ১১ প্রজাতির মাছরাঙার একটি ধলাবুক মাছরাঙা; পাবনা সদরের বলরামপুরে শিকারের অপেক্ষা থেকে ছোঁ মারা আর শিকার মুখে উড়াল, পাখিটির এক শিকারপর্ব ধরা পড়েছে প্রথম আলোর আলোকচিত্রী হাসান মাহমুদের ক্যামেরায়।
গ্যালারিবাংলাদেশে ১১ প্রজাতির মাছরাঙার একটি ধলাবুক মাছরাঙা; পাবনা সদরের বলরামপুরে শিকারের অপেক্ষা থেকে ছোঁ মারা আর শিকার মুখে উড়াল, পাখিটির এক শিকারপর্ব ধরা পড়েছে প্রথম আলোর আলোকচিত্রী হাসান মাহমুদের ক্যামেরায়।
মৌলভীবাজারের বড়লেখার হাল্লা গ্রামে প্রয়াত মনোহর আলী মাস্টারের আড়াই একরের বাড়িতে রাতে আশ্রয় নেয় হাকালুকি হাওরের কয়েক হাজার বক ও পানকৌড়ি; গাছ বুড়িয়ে যাচ্ছে, প্রতিশ্রুত সহায়তা মেলেনি।
পরিবেশনেদারল্যান্ডসের হল্যান্ডসে কুস্ট জুইড বায়ুবিদ্যুৎ খামারে এক বছরের পরীক্ষায় ১৬টি থার্মাল ক্যামেরা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে একটি টারবাইনের চারপাশে পাখি ও বাদুড়ের চলাচল দেখা হয়; ২২টি সম্ভাব্য সংঘর্ষের দুটি নিশ্চিত হয়েছে।
অ্যানিমেটেড সিনেমা রিও-এর কথা মনে আছে? নীল রঙের দুই ম্যাকাও পাখি ব্লু ও জুয়েলের প্রেম, দুঃসাহসিক অভিযান আর হারিয়ে যাওয়া নিয়ে তৈরি হয়েছিল সিনেমার গল্প। ২০১১ সালে প্রথম এবং ২০১৪ সালে এর দ্বিতীয় সিক্যুয়াল তৈরি হয়েছিল।
শহরের কোলাহল নয়, ভোরের নীরবতা ভাঙে পাখির কলকাকলিতে। সূর্যের আলো ফোটার আগেই গাছের ডালে ডালে শুরু হয় নানা প্রজাতির পাখির ডাক। সেই সুরেই প্রতিদিন নতুন দিনের শুরু হয় জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার কানাইপুর গ্রামবাসীর।
ফরিদপুরে নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল দিয়ে আটক করা প্রায় অর্ধশতাধিক ঘুঘু পাখি শিকারির হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে। পরে পাখিগুলোকে মুক্ত আকাশে ছেড়ে দেওয়া হয়।
সব সময়ই মানুষের কোলাহল আর যানবাহনের হর্নের শব্দে মুখরিত থাকে পুরো এলাকা। পোশাকের দোকান থেকে শুরু করে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার—সবখানেই ক্রেতা-বিক্রেতার দরদাম, হকারদের হাঁকডাক আর মানুষের ব্যস্ততায় যেন এক মুহূর্তের জন্যও থামে না কোলাহল। ব্যস্ত সড়কগুলোতে মানুষের ভিড় এতটাই বেশি থাকে যে, স্বাভাবি
পাখি এক অপার সৌন্দর্যের প্রতীক। পাখি নিয়ে আমাদের শৈশব ও রূপসী বাংলার চিরচেনা রূপকথা হলো ভোরবেলা ঘুম ভাঙানো দোয়েলের মিষ্টি শিস কিংবা গোধূলির লালচে আকাশে চিল-শালিকের ডানা মেলার দৃশ্য। পরিবেশ রক্ষায় বিশেষ অবদান রেখে চলেছে পাখি। পাখির কুজন সবুজ অরণ্যে এক মোহনীয় পরিবেশ সৃষ্টি করে।
তাহমিদ হাসান
আট হাজার বর্গফুটের বাড়ির ছাদ। অথচ সেখানে গেলে মনে হবে যেন রঙিন পাখির এক স্বর্গরাজ্যে। পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর প্রজাতির হাঁস, বিরল বিদেশি পাখি, ময়ূর, ম্যাকাও, অ্যামাজন প্যারট মিলিয়ে দুই শতাধিক জোড়া পাখির বিচরণ। এমনই এক খামার গড়ে তুলেছেন নারায়ণগঞ্জ শহরের টানবাজার পুকুরপাড় এলাকার বাসিন্দা বজলুর রশীদ সেলি
পরিবেশ২০২৬ সালের ৬ জুলাই জাগো নিউজে প্রকাশিত কলামে ডেপুটি এডিটর ড. হারুন রশীদ দুটি পাখির কাল্পনিক কথোপকথন দিয়ে যুক্তি দেন, প্রজ্ঞাহীন উন্নয়নে বাংলাদেশের বন ও পাখির আবাস হারিয়ে যাচ্ছে। ২০১৫ সালের লাল তালিকা অনুযায়ী দেশের ৫৬৬ প্রজাতির পাখির ১৯টি হারিয়ে গেছে, ৩৯টি হুমকির মুখে।
সাব্বির হোসাইনগ্রামবাংলার সকালে দোয়েলের চিরায়ত সুমধুর শিষ শুনে মানুষের ঘুম ভাঙতো—সেই চেনা দৃশ্যপট আজ দ্রুত বদলে যাচ্ছে। বাংলাদেশের জাতীয় পাখি 'দোয়েল' আজ নিজ বাসভূমেই চরম অস্তিত্ব সংকটে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রকৃতির এ অমূল্য প্রতীক হারিয়ে যাওয়া মানে কেবল কিছু পাখি কমে যাওয়া নয় বরং বাঙালির হাজার
একসময় গ্রামের উঠানেই সীমাবদ্ধ ছিল কবুতর পালন। কিন্তু সময় বদলেছে। ইট-পাথরের শহরে এখন ছাদের কার্নিশ, বারান্দা কিংবা ছোট্ট খোপেও দেখা যায় কবুতরের বসতি। শখের পাখি হিসেবে পরিচিত হলেও বর্তমানে কবুতর পালনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে অর্থনৈতিক সম্ভাবনা, পুষ্টি নিরাপত্তা এবং স্বনির্ভরতার নতুন গল্প।