৩২ কেজি হরিণের মাংসসহ শিকারি আটক
বাগেরহাটের মোংলায় যৌথবাহিনীর অভিযানে হরিণের মাংস ও ফাঁদসহ এক চোরা শিকারিকে আটক হয়েছে।
বাগেরহাটের মোংলায় যৌথবাহিনীর অভিযানে হরিণের মাংস ও ফাঁদসহ এক চোরা শিকারিকে আটক হয়েছে।
ভরা মৌসুমে বাজারে এখন ছোট-বড় সব ধরনের ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে। তবে দামের কারণে ক্রেতার নাগালে তো নেই এমনকি যারা বিক্রি করছেন তারা পর্যন্ত ইলিশ খাওয়ার সাহস পাচ্ছেন না। এখন এক কেজি ওজনের একটা ইলিশ কিনতে যে পয়সা গুনতে হচ্ছে সে টাকায় সাড়ে ৩ কেজি গরুর মাংস কেনা সম্ভব।
সাপ্তাহিক ছুটির দিনে স্বল্প খরচে পরিবার নিয়ে কী খাবেন? আলু দিয়ে গরুর মাংস নাকি ইলিশ পোলাও? চাইলে কিন্তু দুই বেলায় দুটিই খেতে পারেন। খরচ পড়বে মাত্র ১৬০ ও ২৯৯ টাকা। দুর্মূল্যের এই বাজারে সবার জন্য দুটি কম্বো অফার নিয়ে এসেছে সুপার শপ ডেইলি শপিং। এটি পাওয়া যাবে শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) ডেইলি শপিংয়ের নির্দি
বাজার থেকে খাবার বা শাক-সবজি, মাংস কিনে আনার পর তা সঠিকভাবে সংরক্ষণ কিংবা পরিষ্কার করার বিষয়ে অনেকেই ভুল করেন। আর এ কারণেই ভুগতে হয় ফুড পয়জনিংসহ নানা সমস্যায়। অনেকেই খাদ্যের নিরাপত্তার বিষয়ে অবগত নন।
সুন্দরবনের গহিনে বনরক্ষীদের দেখে হরিণের রান্না করা ৯ কেজি মাংস রেখে পালিয়েছেন শিকারিরা। তাদের ধরতে না পারলেও তিনটি নৌকা জব্দ করেছেন বনরক্ষীরা।
ফরিদপুরে ৫০০ টাকায় গরুর মাংসের পর ৫০-১০০ টাকায় তরমুজ বিক্রির কার্যক্রম শুরু করেছেন নাহিদ-উল-হক নামের স্থানীয় এক চিকিৎসক। সেইসঙ্গে আনারস বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা পিস। স্বল্পমূল্যে এসব পণ্য পেয়ে খুশি ক্রেতারা।
দীর্ঘসময় চড়া থাকার পর বাজারে কিছুটা নিম্নমুখী গরুর মাংসের দাম। বর্তমানে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭২০ থেকে ৭৫০ টাকায়, যা ৮০০ টাকা ছিল। গত রমজানের আগে কয়েক দফা বেড়ে মাংসের দাম ৬৫০ থেকে গিয়ে ঠেকে ৮০০ টাকায়।
ঈদুর আজহা উপলক্ষে চলছে শেষ পর্যায়ে গরু বেচাকেনা। শেষ সময়ে কোরবানির পশু কিনতে যাওয়া ক্রেতার সংখ্যা একটু বেশিই থাকে। গরুর হাটে গিয়ে সবাই নিজ নিজ বাজেটের মধ্যে সবচেয়ে সুস্থ ও ভালো গরু কেনার চেষ্টা করেন। বয়স কম ও মাংস বেশি এ ধরনের গরুর চাহিদা সবচেয়ে বেশি হাটে।
কাঁচা কাঁঠাল বা এঁচোড় খেতে সব বাঙালিই পছন্দ করেন। আমিষ কিংবা নিরামিষ নানাভাবেই রান্না করা যায় এটি।
বাজারে যে দামে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে তা অযৌক্তিক বলে জানিয়েছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। সংস্থাটি জানিয়েছে, এখন প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগির উৎপাদন খরচ করপোরেট প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে ১৩৫ থেকে ১৪০ টাকা। আর প্রান্তিক খামারি পর্যায়ে খরচ ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা। আর বাজারে তা ২০০ টাকা কেজির বেশি বিক্
দ্রব্যমূল্য বাড়ছেই। রমজান মাস সামনে রেখেও বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরছে না। সাধারণ ব্যবসায়ীরা মনে করেন, একশ্রেণির অসাধু চক্র বা বাজার সিন্ডিকেট এর জন্য অনেকাংশে দায়ী। তবে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বারবারই বলছে, রমজানে সব পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা হবে। দেশে খাদ্যপণ্যের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। নিয়মিত বাজা
মোটা চাল, মৌসুমের কমদামি সবজি, পাঙাশ-তেলাপিয়া মাছ কিংবা ব্রয়লার মুরগি- এসব নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ছুটির দিনে ভালো খাবার। কিন্তু বাজারে দ্রব্যমূল্যের যে ঊর্ধ্বগতি তাতে এগুলোর কোনো পদ-ই কিনতে গিয়ে স্বস্তি পাবেন না কেউ। বাধ্য হয়ে নিতে হবে আরও কমদামের বিকল্প কোনো নিত্যপণ্য।
পোল্ট্রি খাবার (ফিড), মুরগির বাচ্চা ও মেডিসিনসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় প্রায় সবকিছু উৎপাদন করছে করপোরেট কোম্পানিগুলো। আবার তারা ডিম ও মুরগিও উৎপাদন করছে। পাশাপাশি খামারিদের সঙ্গে কন্ট্রাক্ট ফার্মিংয়েও (চুক্তিভিত্তিক) জড়িত অধিকাংশ কোম্পানি। এ কারণে তাদের দৌরাত্ম্যের সঙ্গে টিকতে পারছে না দেশের সাধারণ খামা