দেশে খাদ্যশস্যের নিরাপত্তা মজুত বাড়ছে
খাদ্যশস্যের নিরাপত্তা মজুত বাড়াতে চায় সরকার। অর্থাৎ, জাতীয় সংকট মোকাবিলাসহ জনগণের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকারি গুদামে সর্বনিম্ন খাদ্যশস্য মজুতের আগের নির্ধারিত সীমা বাড়বে।
খাদ্যশস্যের নিরাপত্তা মজুত বাড়াতে চায় সরকার। অর্থাৎ, জাতীয় সংকট মোকাবিলাসহ জনগণের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকারি গুদামে সর্বনিম্ন খাদ্যশস্য মজুতের আগের নির্ধারিত সীমা বাড়বে।
খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, বাজারে মূল্য স্থিতিশীল রাখা এবং কর্মাভাবকালীন নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠীর খাদ্য সহায়তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে খাদ্য মন্ত্রণালয় ১ আগস্ট থেকে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় চাল বিতরণ শুরু করেছে।
চলতি বোরো সংগ্রহ-২০২৬ মৌসুমে ৫ লাখ মেট্রিক টন ধান, ১২ লাখ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল এবং এক লাখ মেট্রিক টন আতপ চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত এ সংগ্রহ কার্যক্রম চলবে বলে জানিয়েছেন খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী।
ফসলইউএসডিএর ৩০ জুন ২০২৬ সালের অ্যাক্রিএজ প্রতিবেদন অনুযায়ী মার্কিন কৃষকরা ৯ কোটি ৫৩ লাখ একরে ভুট্টা ও ৮ কোটি ৫৪ লাখ একরে সয়াবিন বুনেছেন; ১ জুন ভুট্টার মজুত ছিল এক বছর আগের চেয়ে ১৪% বেশি।
দেশে সরকারি খাদ্যশস্য মজুতের সবচেয়ে বড় অংশটি আসে বোরো ধান থেকে। তবে এবার আকস্মিক বন্যা ও পাহাড়ি ঢলে হাওরাঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বোরো ফসলের ক্ষতি হয়েছে। এ কারণে নতুন সরকারের প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস এবং সংগ্রহ কার্যক্রমে কৃষকদের সম্পৃক্ত করার নানা চ্যালেঞ্জ রয়েছে বোরো ধান-চাল সংগ্রহের ক্ষেত্রে।
ফসল২০২৬ সালের ঈদুল আজহার আগের দিন সুনামগঞ্জের হাওরের কৃষকেরা অতিবৃষ্টি ও জলাবদ্ধতায় বোরো ধান হারানোর কষ্টের কথা জানান। সরকারি হিসাবে ক্ষতিগ্রস্ত জমি ২০ হাজার হেক্টর, কৃষক ও কৃষক সংগঠনের দাবি প্রায় ৪০ হাজার হেক্টর; ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা পাঠানো হলেও সহায়তা কবে মিলবে, তা জানা যায়নি।
ধান শুধু একটি ফসল নয়, একটি জাতির জীবন, সংস্কৃতি ও অস্তিত্বের প্রতিচ্ছবি। বাংলাদেশের মানুষের জীবন, সংস্কৃতি ও অর্থনীতির সঙ্গে ধান ওতপ্রোতভাবে জড়িত। হাজার বছরের কৃষিভিত্তিক সভ্যতায় ধান শুধু প্রধান খাদ্যশস্য হিসেবেই নয়, বরং গ্রামীণ জীবনধারা, উৎসব, লোকসংস্কৃতি ও সামাজিক ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ
ড. এম আব্দুল মোমিন
শস্যভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত নাটোরের সিংড়া, গুরুদাসপুর ও সদর উপজেলার চলনবিল ও হালতি বিল অঞ্চলে বোরো ধান কাটার ভরা মৌসুমে আগাম বন্যা ও প্রতিকূল আবহাওয়ার প্রভাব দেখা দিয়েছে। কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে আত্রাই নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় বিভিন্ন খাল দিয়ে বিলাঞ্চলে পানি ঢুকতে শুরু করে
টানা কয়েক দিনের বৃষ্টিই কৃষকের স্বপ্ন চুরমার করে দিয়েছে। একদিকে নিচু জমির ধান পানিতে তলিয়ে গেছে; অন্যদিকে ধান কাটার শ্রমিক পাচ্ছেন না। চোখের সামনে তলিয়ে যাওয়া স্বপ্ন বাঁচাতে পানিতে নেমে ধান কাটছেন নিজেরাই। ধানের ভড়া মৌসুমে জেলাজুড়ে ধান মাড়াইয়ের ব্যস্ততা থাকলেও কৃষকের মুখে হাসি নেই। একদিকে শ্রমিক সংক
ফসলএপ্রিলের শেষে অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে হাওরের বোরো ধান তলিয়ে যাওয়ার পর ২০২৬ সালের ৯ মে জাগো নিউজে প্রকাশিত কলামে এনসিপির কৃষক উইংয়ের নেতা সাঈদ উজ্জ্বল বাঁধ সংস্কার, সরাসরি ধান কেনা, ঋণসুবিধা ও ফসল বিমাসহ সমন্বিত, কৃষককেন্দ্রিক নীতির দাবি জানান।
অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও বাঁধ ভেঙে হঠাৎ পানির তোড়ে হাওরাঞ্চলের সাত জেলায় প্রায় অর্ধলক্ষ হেক্টর জমির ধান তলিয়ে গেছে। এতে প্রায় দুই লাখ মেট্রিক টন চাল উৎপাদন কম হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বুশরা আজমী