টবে আনারস চাষ করবেন যেভাবে
আনারসের ফেলে দেওয়া পাতা থেকেই পেতে পারেন নতুন একটি গাছ। সেই গাছে ধরবে নতুন আনারস। তেমন যত্ন ছাড়াই ফেলে দেওয়া পাতা থেকে আনারস গাছ পাওয়া যায়। চলুন জেনে নেওয়া যাক সেই পদ্ধতি।
আনারসের ফেলে দেওয়া পাতা থেকেই পেতে পারেন নতুন একটি গাছ। সেই গাছে ধরবে নতুন আনারস। তেমন যত্ন ছাড়াই ফেলে দেওয়া পাতা থেকে আনারস গাছ পাওয়া যায়। চলুন জেনে নেওয়া যাক সেই পদ্ধতি।
চাকরির পাশাপাশি নাগরিক জীবনে ছাদকৃষি মনোযোগের প্রধান ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে অনেকের কাছে। কেউ কেউ ফল ফসল প্রাপ্তির পাশাপাশি গাছ ও প্রকৃতির নেশায় পড়েছেন। তারা নগর পরিবেশের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রেও অবদান রাখছেন।
চাকরির পাশাপাশি নাগরিক জীবনে ছাদকৃষি মনোযোগের প্রধান ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে অনেকের কাছে। কেউ কেউ ফল ফসল প্রাপ্তির পাশাপাশি গাছ ও প্রকৃতির নেশায় পড়েছেন। তারা নগর পরিবেশের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রেও অবদান রাখছেন।
শখের বশে বাড়ির ছাদে আঙুর বাগান গড়ে তোলেন এমাদ উদ্দিন চৌধুরী বিটু। একসময় বাগান নিয়ে খুবই সংশয়ে ছিলেন। ফলন আসা শুরু হলে অনেক খুশি হোন তিনি। সীতাকুণ্ডে প্রথম আঙুর চাষে ছাদ বাগানের সফলতা দেখে উচ্ছসিত কৃষি বিভাগও। বাগানটি গড়ে তোলা হয়েছে উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়নের পাকা মসজিদ এলাকার মুন্সি সাদেক আলী চৌধুরীর
আসিফ মাহমুদের ছোটবেলা থেকেই ফুল আর ফল চাষের প্রতি আগ্রহ। সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে বাড়ির ছাদে স্ট্রবেরি চাষ শুরু করেন। শখের বশে স্ট্রবেরি চাষ শুরুর পর অল্প দিনের মধ্যেই পুরো ছাদে স্ট্রবেরি চাষ করেছেন। এতে এলাকায় বেশ সাড়া ফেলেছেন তিনি।
শিক্ষার্থীদের হাতে কলমে কৃষি ও উদ্ভিদ বিদ্যার পাঠ দিতে দেশের অনেক শিক্ষাঙ্গনের ছাদেই গড়ে তোলা হচ্ছে ছাদকৃষি আয়োজন। ব্যবহারিক পাঠ্যক্রমের অংশ হিসেবে ঢাকার উত্তরায় কেসি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছাদেও নেয়া হয়েছে এমন উদ্যোগ। যেখান থেকে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা পাচ্ছেন বহুমুখী সুবিধা।
ছাদকৃষিআটতলা ভবনের উপরিভাগে চারপাশ জুড়ে শীতের শাকসবজি আর রকমারি ফল-ফসল। মাটির এতটা উপরে ফসলেল এত আয়োজন কমই দেখা মেলে। নানারকম সতেজ সবজি আর ফলদ গাছপালাই এই বাড়িটির মূল অলংকার। যা করতে মোশারফ হোসেন ও কৃষিবিদ আমিনুল হক অ্যাপার্টমেন্ট-এ বসবাসরত অন্য প্রতিবেশিদের সঙ্গে সমঝোতা করেই উদ্যোগটি নিয়েছেন।
ঢাকার বনশ্রীতে অ্যাপার্টমেন্ট বাড়ির উপরে রকমারি শাকসবজি আর ফলমুলের সংগ্রহশালা গড়েছেন মোশাররফ হোসেন ও আমিনুল হক পরিবার। তাদের কাছে এখন ব্যস্ত জীবনেও প্রাণচাঞ্চল্য টিকিয়ে রাখতে ছাদকৃষিটি অনবদ্য ভূমিকা রাখছে।
ছাদকৃষিমাত্র এক হাজার বর্গফুটের পরিসরটি দারুণভাবে ফল ফসলে সাজানো। উদ্যোক্তা রুবাবা আহমেদ এখন শারীরিক অসুস্থতা আর বয়সের ভারে অনেকটা ক্লান্ত। তারপরও গাছগাছালি ও মাটির কাছাকাছি থাকার নেশায় তিনি আয়োজনটি ধরে রেখেছেন।
সবুজের প্রতি আগ্রহ থেকে বসতি সাজানোর অনুসঙ্গ হিসেবে ছাদকৃষিকে বেছে নিয়েছেন ধানমন্ডির সালাউদ্দিন উজ্জ্বল ও সৈয়দা ফাহমিনা আক্তার ঝুমুর দম্পতি। এখন সেটা হয়ে উঠেছে নিরাপদ খাদ্যের উৎস ও অবসর কাটানোর জায়গা। শহর বাড়ির প্রতিটি বাড়ির ছাদই ফল ফসলে সমৃদ্ধ হয়ে উঠুক এমন আহ্বান তাদের।
ছাদকৃষিদশতলা ভবনের এই ছাদের অর্ধেকাংশে পুরোদস্তুর আবাদি ক্ষেত। এখানে ফুলকপি, বাঁধাকপি, ব্রুকলি, বেগুন, টমেটো, লাউসহ নানারকম ফসল আবাদ হচ্ছে। এই আয়োজনটি মাত্র দেড় বছরের কিন্তু মিসেস জান্নাতুল মাসুদ কণা কৃষি চর্চায় যুক্ত রয়েছেন ২০১০ সাল থেকে।
গত এক যুগ ধরে ছাদকৃষির চর্চা করছেন ঢাকার ধানমন্ডি আবাসিক এলাকার জান্নাতুল মাসুদ কণা। বাসার ছাদটিকে রীতিমত আবাদি ক্ষেতের মতো গড়ে মৌসুমভিত্তিক ফসল ঘরে তোলেন তিনি। শহর জীবনেও থাকেন নির্মল আনন্দে।
ছাদকৃষিপাঁচতলা ভবনের উপরে ২১শ বর্গফুটের এই ছাদকৃষিটি ১৪ বছর ধরে সাজাচ্ছেন মনোয়ারা সিদ্দিকা। ফুল, ফল, ফলদ, বনজ, ঔষধিসহ প্রায় ২০০ রকমের গাছ গাছালির সংগ্রহ রয়েছে এখানে।