সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৫%বাতাস ৪ কিমি/ঘ

ঝুঁকি জেনেও ইকুয়েডরের কৃষকের প্রথম ভরসা রাসায়নিক বালাইনাশক

ইকুয়েডরের তুঙ্গুরাউয়া প্রদেশের ১৬২ জন কৃষকের ওপর ক্যাবির নেতৃত্বে করা জরিপে দেখা গেছে, বেশির ভাগ কৃষক বালাইনাশকের স্বাস্থ্য ও পরিবেশঝুঁকি জানেন, তবু জৈব বালাইনাশক অচেনা, দুর্লভ ও দামি মনে হওয়ায় রাসায়নিকই তাঁদের প্রথম পছন্দ।

ঝুঁকি জেনেও ইকুয়েডরের কৃষকের প্রথম ভরসা রাসায়নিক বালাইনাশক
ফসল

ইকুয়েডরের তুঙ্গুরাউয়া (Tungurahua) প্রদেশের কৃষকেরা রাসায়নিক বালাইনাশকের ক্ষতি সম্পর্কে মোটামুটি সচেতন, কিন্তু পোকা বা রোগ দেখা দিলে এখনো প্রথমেই স্প্রে হাতে নেন। আন্তর্জাতিক কৃষি গবেষণা সংস্থা ক্যাবির (CABI) নেতৃত্বে করা এবং ২০২৬ সালের এপ্রিলে 'অ্যাডভান্সেস ইন এগ্রিকালচার' সাময়িকীতে প্রকাশিত এক গবেষণায় এ চিত্র উঠে এসেছে।

গবেষকেরা একই অঞ্চলের তিন ধরনের খাদ্য উৎপাদন ব্যবস্থার ১৬২ জন কৃষকের সঙ্গে কথা বলেছেন: সালাসাকার আদিবাসী পারিবারিক খামার, ইজাম্বার উদ্যান ফসল আর পাতাতের ফলবাগান। কৃষক কতটা বালাইনাশক দেন, এর লাভ-ক্ষতি কীভাবে দেখেন, সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা (আইপিএম) ও জৈব নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কে কী জানেন, তা জানতে চাওয়া হয়।

বেশির ভাগ কৃষক ঝুঁকির কথা স্বীকার করেছেন, অনেকে বালাইনাশকের সংস্পর্শে আসার মতো উপসর্গেও ভুগেছেন। আগের গবেষণার বরাতে লেখকেরা বলছেন, সেখানে কৃষকেরা প্রায়ই কয়েকটি ওষুধ মিশিয়ে দেন, কোনোটি নির্ধারিত মাত্রার বেশি দেন, আবার স্প্রের পর নিরাপদ সময় পার হওয়ার আগেই ফসল তোলেন। এতে ফসলে বিষের অবশেষ থেকে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।

সচেতনতা যে কাজে দেয়, তারও প্রমাণ মিলেছে। ইজাম্বার কৃষকেরা ঝুঁকি সম্পর্কে সবচেয়ে বেশি জানেন এবং আইপিএম ব্যবহারেও তাঁরা এগিয়ে। পাতাতের ফলচাষিরা বিকল্প সম্পর্কে কম জানেন, রাসায়নিকের ওপরই বেশি নির্ভর করেন। সালাসাকার আদিবাসী কৃষকেরাও কম জানেন; ঘরে বানানো উদ্ভিজ্জ নির্যাস ছাড়া অন্য বিকল্প তাঁরা খুব কম ব্যবহার করেন।

বাধা শুধু জ্ঞানের নয়। অনেক কৃষক পরামর্শ নেন বালাইনাশকের দোকান থেকে, স্বাধীন কৃষি সম্প্রসারণকর্মীর কাছ থেকে নয়। গ্রামে জৈব বালাইনাশক সহজে মেলে না, আর কৃষকের ধারণা, এগুলোর দাম রাসায়নিকের চেয়ে বেশি। সুরক্ষা সরঞ্জাম দরকার জেনেও কেনার সামর্থ্য না থাকলে সে জ্ঞান কাজে আসে না।

লেখকদের মতে, কৃষককে শুধু কম স্প্রে করতে বললে চলবে না। প্ল্যান্ট ক্লিনিক, কৃষক মাঠ স্কুল ও প্রদর্শনী প্লটের মাধ্যমে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ, সাশ্রয়ী জৈব উপকরণ ও সুরক্ষা সরঞ্জাম, আর প্রতিটি এলাকার উপযোগী পরামর্শ দরকার। যেমন সালাসাকায় প্রচলিত জ্ঞানের ওপর ভিত্তি করে প্রশিক্ষণ, পাতাতে ফলবাগানের আইপিএম ও পোকা পর্যবেক্ষণ।

ছবি: Jeff Vanuga, USDA NRCS / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)

সূত্র: Global Agriculture

গ্লোবাল এগ্রিকালচারসূত্র

ফসল

সম্পর্কিত খবর

এগ্রোবিজ

খরিফে ধাক্কার পর রবি মৌসুমেও এল নিনোর শঙ্কা, ভারতের কৃষি জিডিপি সংকোচনের মুখে

বর্ষায় ১৩ শতাংশ কম বৃষ্টিতে খরিফ উৎপাদন কমেছে, মহারাষ্ট্র ও কর্ণাটকের ৪৯১টি তালুকে খরা ঘোষণা হয়েছে, ট্রাক্টর বিক্রি কমছে আর ছোলার দাম কেজিতে ১০০ রুপির দিকে। কৃষকেরা এখনও ত্রাণের অপেক্ষায়, লিখেছে রুরাল ভয়েস।

Rural Voice১৭ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

আগাম জাতের ধানে আকস্মিক বন্যার ক্ষতি কমছে সুনামগঞ্জের হাওরের ৩,০০০ পরিবারের

হাওর অঞ্চলে ইরির জলবায়ু-সহনশীল ধান মূল্যশৃঙ্খল প্রকল্প সরাসরি ৩,০০০ কৃষক পরিবারের কাছে পৌঁছেছে। নারীদের পরিচালিত পাঁচটি কমিউনিটি বীজ ব্যাংক হয়েছে, কৃষি উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ পেয়েছেন দুই হাজারের বেশি কৃষক।

IRRI১৭ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

খাবার পানি বাঁচাতে কৃষকদের এক মৌসুম ধান না লাগানোর অনুরোধ তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রীর

বৃষ্টির ঘাটতি প্রায় ২৮ শতাংশ, জলাধারে স্বাভাবিক ৪৬২ টিএমসির জায়গায় পানি মাত্র ২০০ টিএমসি ফুট। মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডি বলছেন, আগামী বর্ষা পর্যন্ত খাবার পানি নিশ্চিত করতে কৃষিকে এক মৌসুম ছাড় দিতে হবে।

ডাউন টু আর্থ১৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)