সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৫%বাতাস ৪ কিমি/ঘ

আমনে পাতাপোড়া রোগ, হতাশ কৃষক

মৌলভীবাজারে আমন ধানে ব্যাকটেরিয়াজনিত পাতাপোড়া রোগ দেখা দিয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, তারা আক্রান্ত জমিতে কীটনাশক দিয়েও কোনো ফল পাচ্ছেন না। এতে তারা হতাশ হয়ে পড়ছেন।

মৌলভীবাজারে আমন ধানে ব্যাকটেরিয়াজনিত পাতাপোড়া রোগ দেখা দিয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, তারা আক্রান্ত জমিতে কীটনাশক দিয়েও কোনো ফল পাচ্ছেন না। এতে তারা হতাশ হয়ে পড়ছেন।

তবে কৃষি বিভাগ বলছে, এটা কোনো বড় ধরনের রোগ নয়। প্রয়োজনীয় বৃষ্টি ও ধান গাছের পুষ্টির অভাবে পাতা লালচে হচ্ছে। কৃষকদের ভুল পরিচর্যার কারণে পাতা সবুজ হতে একটু সময় লাগবে। জেলার সাত উপজেলায় প্রায় পাঁচ হাজার হেক্টর জমির ফসল লাল হয়েছে।

জানা গেছে, চলতি মৌসুমে জেলায় আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার হেক্টর। গতবছর জেলায় ১ লাখ ১ হাজার হেক্টর জমিতে আমন আবাদ হয়েছিল।

জেলার রাজনগর, কমলগঞ্জ, কুলাউড়া ও সদরসহ সাতটি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ধান গাছ হলুদ বর্ণ ধারনের ফলে কৃষকরা চিন্তায় পড়েছেন। কৃষকরা জানিয়েছেন, সবুজ পাতা হলুদ বর্ণ ধারণ করে পুড়ে যাওয়ায় ধান গাছ ধীরগতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে। অনেক জমিতে ধানের চারা বিবর্ণ রং ধারণ করেছে। কীটনাশক ও সার প্রয়োগ করেও কোনো লাভ হচ্ছে না। বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বিআর-১১ ও ব্রি-৪৯ জাতের ধান।

রাজনগর উপজেলার বাজুয়া গ্রামের ইয়াবর মিয়া জাগো নিউজকে বলেন, ধান গাছের নিচে এক ধরনের ছোট বাদামি গাছ ফড়িং আক্রমণ করে। এর পর থেকে ধান গাছে পচন শুরু হয়। আমার পাঁচ বিঘা জমির ধান একেবারে নষ্ট হয়ে গেছে।

পাঠানটুলা এলাকার ইমানি মিয়া জাগো নিউজকে বলেন, ১৫ দিন ধরে ধানের পাতা মরা রোগ দেখা দিয়েছে। সার-কীটনাশক দিয়েও কোনো লাভ হচ্ছে না।

কুলাউড়া উপজেলার হিঙ্গাজিয়া গ্রামের কৃষক জালাল উদ্দিন বলেন, হঠাৎ ধানের পাতা লাল হওয়া রোগের আক্রমণে হতাশায় পড়েছি। কীটনাশক ও সার প্রয়োগেও লাভ হচ্ছে না।

কমলগঞ্জের মুন্সিটিলা গ্রামের কৃষক আব্দুল আহাদ বলেন, আমরা মাজরা পোকার আক্রমণ মনে করে স্থানীয় বাজার থেকে কীটনাশক কিনে প্রয়োগ করি। তবে ২০ দিন ধরেও ধানের লালচে রং যাচ্ছে না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মৌলভীবাজার কৃষি অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সামছুদ্দিন আহমদ জাগো নিউজকে বলেন, এটা কোনো বড় সমস্যা নয়। কৃষকদের আতঙ্কিত না হয়ে জমিতে পরিমাণ মতো কীটনাশক ও সার প্রয়োগের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, কৃষকদের ভুল পরিচর্যার কারণে পাতা সবুজ হতে একটু সময় লাগবে। প্রত্যন্ত অঞ্চলের কৃষকরা তাদের ক্ষেতে ভুল পরিচর্যা করছেন। এতে ধানের পাতা সবুজ হতে দেরি হবে। উপযুক্ত সময়ে বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় ধান গাছে খাদ্যের অভাব দেখা দিয়েছে। পটাসিয়াম ও সালফারের অভাব পূরণ হলেই ধান গাছ সবুজ হয়ে যাবে।

আব্দুল আজিজ/এমআরআর/জিকেএস

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

ফসল

সম্পর্কিত খবর

এগ্রোবিজ

খরিফে ধাক্কার পর রবি মৌসুমেও এল নিনোর শঙ্কা, ভারতের কৃষি জিডিপি সংকোচনের মুখে

বর্ষায় ১৩ শতাংশ কম বৃষ্টিতে খরিফ উৎপাদন কমেছে, মহারাষ্ট্র ও কর্ণাটকের ৪৯১টি তালুকে খরা ঘোষণা হয়েছে, ট্রাক্টর বিক্রি কমছে আর ছোলার দাম কেজিতে ১০০ রুপির দিকে। কৃষকেরা এখনও ত্রাণের অপেক্ষায়, লিখেছে রুরাল ভয়েস।

Rural Voice১৭ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

আগাম জাতের ধানে আকস্মিক বন্যার ক্ষতি কমছে সুনামগঞ্জের হাওরের ৩,০০০ পরিবারের

হাওর অঞ্চলে ইরির জলবায়ু-সহনশীল ধান মূল্যশৃঙ্খল প্রকল্প সরাসরি ৩,০০০ কৃষক পরিবারের কাছে পৌঁছেছে। নারীদের পরিচালিত পাঁচটি কমিউনিটি বীজ ব্যাংক হয়েছে, কৃষি উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ পেয়েছেন দুই হাজারের বেশি কৃষক।

IRRI১৭ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

খাবার পানি বাঁচাতে কৃষকদের এক মৌসুম ধান না লাগানোর অনুরোধ তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রীর

বৃষ্টির ঘাটতি প্রায় ২৮ শতাংশ, জলাধারে স্বাভাবিক ৪৬২ টিএমসির জায়গায় পানি মাত্র ২০০ টিএমসি ফুট। মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডি বলছেন, আগামী বর্ষা পর্যন্ত খাবার পানি নিশ্চিত করতে কৃষিকে এক মৌসুম ছাড় দিতে হবে।

ডাউন টু আর্থ১৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)