সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ২৪ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৭০%বাতাস ৮ কিমি/ঘ

১৩৫ বছরে অক্টোবরের ৯৭ ঘূর্ণিঝড়ের ১৯টি বাংলাদেশে, এবারেরটি যেতে পারে অন্ধ্রে

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যে ১৮৯১ সাল থেকে অক্টোবরে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ৯৭টি ঘূর্ণিঝড়ের ৭৮টি গেছে অন্ধ্রপ্রদেশ-ওড়িশায়, ১৯টি বাংলাদেশে; আবহাওয়াবিদেরা বলছেন, সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় 'অর্ণব' বাংলাদেশে আসার সম্ভাবনা কম, তবে মঙ্গলবারের পর উত্তর ও পশ্চিমের কয়েক বিভাগে ভারী বৃষ্টি হতে পারে।

১৩৫ বছরে অক্টোবরের ৯৭ ঘূর্ণিঝড়ের ১৯টি বাংলাদেশে, এবারেরটি যেতে পারে অন্ধ্রে
পরিবেশ

বঙ্গোপসাগরে অক্টোবরে সৃষ্ট বেশির ভাগ ঘূর্ণিঝড়ের গন্তব্য ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ আর ওড়িশা উপকূল। আবহাওয়া অধিদপ্তরের উপাত্ত বলছে, ১৮৯১ সাল থেকে ১৩৫ বছরে অক্টোবরে ৯৭টি ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হয়েছে; এর ৭৮টি আঘাত করেছে অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশায়, বাকি ১৯টি বাংলাদেশ উপকূলে। বাংলাদেশে আসা ঝড়গুলোর প্রায় সবই গেছে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলে।

সাম্প্রতিক উদাহরণও একই কথা বলে। গত বছরের ২৮ অক্টোবর ঘূর্ণিঝড় 'মোনথা' আঘাত করেছিল অন্ধ্রপ্রদেশে, ২০২৪ সালের ২৫ অক্টোবর 'দানা' ওড়িশায়। ২০২২ সালের অক্টোবরে 'সিত্রাং' এসেছিল ভোলা উপকূলে। নভেম্বর-ডিসেম্বরের বড় ঝড়গুলোর বেশির ভাগও দক্ষিণ উপকূলে: ১৯৭০ সালের ১৩ নভেম্বরের প্রলয়ংকরী ঝড় ভোলা, ২০০৭ সালের 'সিডর' বরগুনা আর ২০১৯ সালের 'বুলবুল' খুলনা দিয়ে গিয়েছিল।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের জ্যেষ্ঠ আবহাওয়াবিদ ড. আবুল কালাম মল্লিক জানান, শনিবার রাতে নিম্নচাপ আর রবিবার গভীর নিম্নচাপে রূপ নিয়ে ঝড়টি রবিবার মধ্যরাতের পর বা সোমবার সকালে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। ১৯৭১ সাল থেকে বঙ্গোপসাগরে এই মৌসুমে সৃষ্ট ৬৪টি ঘূর্ণিঝড়ের মাত্র ১৩টি বাংলাদেশ উপকূলে এসেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ঊর্ধ্বাকাশের পশ্চিমা বাতাসের অবস্থান এখন উত্তর-পূর্বে বাঁক নেওয়ার মতো নয়, তাই এবারের ঝড় বাংলাদেশে আসার সম্ভাবনা কম মনে হচ্ছে।

অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক সমরেন্দ্র কর্মকার ব্যাখ্যা করেন, ঘূর্ণিঝড়ের দিক মূলত ঠিক করে ভূপৃষ্ঠের ৩০-৪০ হাজার ফুট ওপরের উল্টো ঘূর্ণির বাতাস। সেটি বাংলাদেশ বা ভারতের বিহারের ওপর থাকলে ঝড় বাংলাদেশের দিকে বাঁক নেয়; ২০২৪ সালে 'দানা'র সময় সেটি স্থির থাকায় ঝড় সোজা পথে ওড়িশায় গিয়েছিল। ভারতীয় আবহাওয়া অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটেও বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টি বুধবার অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আঘাত করতে পারে।

ঝড় না এলেও বৃষ্টি হবে। আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক জানান, সোমবার ও মঙ্গলবার চট্টগ্রামসহ উপকূলে হালকা বৃষ্টি হতে পারে, আর মঙ্গলবারের পর রংপুর, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ ও খুলনা বিভাগে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। ফোরকাস্টিং কর্মকর্তা ড. ওমর ফারুকের ব্যাখ্যা, ঝড়টি উপকূলে উঠে স্থল নিম্নচাপ হয়ে উত্তরে এগোলে বৃষ্টির তীব্রতা বাড়বে। ঘূর্ণিঝড় হলে এর নাম হবে 'অর্ণব', বাংলাদেশের দেওয়া এই নামের অর্থ সমুদ্র।

উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে এখন আমন ধান পাকার সময়, আর অনেক জমিতে আগাম আলু ও রবি সবজির প্রস্তুতি চলছে। মঙ্গলবারের পরের সম্ভাব্য ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস তাই ওই অঞ্চলের কৃষকের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, পাকা ধান কাটা ও মাড়াইয়ের সময় ঠিক করতে এবং নিচু জমিতে পানি জমা ঠেকাতে।

প্রতিবেদনটি দেশ রূপান্তরের জন্য চট্টগ্রাম থেকে লিখেছেন ভূঁইয়া নজরুল।

ছবি: ২০২২ সালের ২৩ অক্টোবর বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ, যা পরে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং হয়, NASA/Aqua-MODIS / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)

সূত্র: দেশ রূপান্তর

দেশ রূপান্তরসূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

চট্টগ্রামে প্রথম আধুনিক স্যুয়ারেজের জোন-১ চালু হচ্ছে জুনে, সুফল পাবেন ২০ লাখ মানুষ

প্রায় সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকার চট্টগ্রাম ওয়াসার প্রথম আধুনিক স্যুয়ারেজ প্রকল্পের প্রথম জোনের ৭৮ শতাংশ কাজ শেষ; জুনে চালু হলে ২১ ওয়ার্ডের ২৮ হাজার বাড়ির পয়োবর্জ্য খাল-নদীতে না গিয়ে হালিশহরের ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টে যাবে।

দৈনিক আজাদী২৫ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সঙ্গীর খোঁজে? বক্সায় ছাড়া বাঘিনি পৌঁছেছে অসম সীমানার সঙ্কোশ নদীর পাড়ে

বিহারের বাল্মীকি টাইগার রিজার্ভ থেকে দিন কুড়ি আগে উত্তরবঙ্গের বক্সায় এনে ছাড়া বছর তিনেকের বাঘিনিটি তিন সপ্তাহে প্রায় ৩৯০ বর্গকিলোমিটার ঘুরে অসমের রায়মোনা টাইগার রিজার্ভের দিকে এগোচ্ছে বলে জানিয়েছে অসম বন দপ্তর।

এই সময়২৫ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

২০৩০ সালের মধ্যে নিঃসরণ ১৮ শতাংশ কমাতে হবে: জাতিসংঘের সতর্কবার্তা

ইউএনইপির প্রতিবেদন বলছে, ২০৩০ সালের মধ্যে গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ ১৮ শতাংশ ও ২০৩৫ সালের মধ্যে ৪৫ শতাংশ কমালে উষ্ণতা ১.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে আটকে রাখার ভালো সম্ভাবনা থাকবে; বর্তমান নীতিতে শতাব্দীর শেষে তা ২.৮ ডিগ্রিতে পৌঁছাতে পারে।

প্রতিদিনের সংবাদ২৫ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)