দেশে শুরু হয়েছে পুষ্টিকর ঘাস প্লান্টেইনের চাষ
দেশে শুরু হয়েছে উচ্চশক্তি সম্পন্ন পুষ্টিকর পশুখাদ্য প্লান্টেইন নামের ঘাসের চাষ।
দেশে শুরু হয়েছে উচ্চশক্তি সম্পন্ন পুষ্টিকর পশুখাদ্য প্লান্টেইন নামের ঘাসের চাষ।
রাজধানীর উত্তরায় ছয়তলা ভবনের ছাদে সমৃদ্ধ কৃষিক্ষেত্র গড়ে তুলেছেন নৌবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত ক্যাপ্টেন হাবিবুর রহমান। বিভিন্ন জাতের আমের বড় এক সংগ্রহ রয়েছে তার ছাদকৃষিতে।
রমজান মাসে অনেকেই ফল ফসলের ঘরোয়া চাহিদা পূরণ করছেন ছাদকৃষি থেকে। আগেভাগে পরিকল্পিতভাবে শাক সবজি রোপন করে সেহরি ও ইফতারে শতভাগ সংশয়মুক্ত খাবারের নিশ্চয়তা পাচ্ছেন তারা। এমনই একজন ছাদকৃষি উদ্যোক্তা ঢাকার মিরপুর ডিওএইচএস-এর অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা আব্দুল হান্নান শরীফ।
বিষমুক্ত ফল ফসলের স্বাদ গ্রহণ আর প্রকৃতির সান্নিধ্যে সুন্দর সময় অতিবাহিত করতেই রাজধানীর উত্তরায় নিজের বাসভবনে ছাদকৃষি গড়ে তুলেছেন শেখ সাদী খন্দকার। আত্মীয় স্বজন ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে ছাদকৃষি অনন্য ভূমিকা রাখছে দাবি তার।
ছাদকৃষির মাধ্যমে গ্রামীণ জীবনের স্বাদ গ্রহণ করছেন রাজধানীর রাজাবাজারের সিদ্দিকা বেগম। পাঁচতলা ভবনের ওপরে দশ বছরের ছাদকৃষিতে তিনি গড়ে তুলেছেন ফল ফসলের দারুণ প্রাচুর্য।
কৃষিতে বিস্ময়কর সাফল্যের নজির গড়ছেন শিক্ষিত তরুণ উদ্যোক্তারা। পরিকল্পিত ও প্রযুক্তিনির্ভর চাষাবাদে তাদের সাফল্য দেশের অর্থনীতিতে যেমন ভূমিকা রাখছে একইভাবে সৃষ্টি করছে বেকার তরুণদের কর্মস্থান। নরসিংদীর শিবপুরের এমনই এক সফল খামারি কিবরিয়া গাজী।
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা ও পরিবেশ সুরক্ষার তাগিদে সাত বছর ধরে রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় গাছ রোপণ করে চলেছেন আব্দুল ওয়াহেদ নামের এক বৃক্ষপ্রেমিক। বজ্রপাতে মৃত্যুঝুঁকির এই সময়ে তার উদ্যোগকে অনন্য দৃষ্টান্ত বলছেন অনেকেই। ইতিমধ্যে তার রোপিত গাছের সংখ্যা ছাড়িয়েছে লাখের অংক।
আম, পেয়ারা বা মাল্টার মতো ফলকে পোকামুক্ত রাখতে যখন কীটনাশক স্প্রেই ছিল একমাত্র ভরসা তখন কয়েক বছর আগে চালু হওয়া ব্যাগিং পদ্ধতির কল্যাণে পাল্টে গেছে চিত্র। বাণিজ্যিকভিত্তিতে মানসম্পন্ন ফল উৎপাদনে ব্যাগিং হয়ে উঠছে অপরিহার্য। আর ব্যাগের চাহিদা পূরণে আমদানি নির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আসতে প্রথমবারের মতো ক
বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় বিশাল এক ঐশ্বর্য রয়েছে প্রাকৃতিক শৈবালের। খাদ্য উপযোগী বিভিন্ন জাতের শৈবালের পরিকল্পিত চাষের দারুণ সম্ভাবনার কথা জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। ইতোমধ্যে গবেষণাও এগিয়েছে বেশ দূর। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এদিকে দৃষ্টি দেয়া হলে সূচিত হবে ব্লু ইকোনমির এক নতুন দিগন্ত।
রংপুরে শখের বশে শৌখিন মাছের খামার গড়ে কয়েক বছরে কোটি টাকার বাণিজ্যে রূপ দিয়েছেন ব্যবসায়ী মৃদুল রহমান। তিনি বলেন, ঘরোয়া পরিবেশে ছোট পরিসরেই গড়ে তোলা সম্ভব শৌখিন মাছের পোনা উৎপাদনের খামার।
রাজধানীর কল্যাণপুরে এক যুগ ধরে ছাদকৃষি করছেন রূপা রহমান। পাঁচ হাজার বর্গফুটের ছাদে তিনি উৎপাদন করছেন নানা রকমের ফল ফসল।
ফসলের চারা উৎপাদনে আধুনিকতম নার্সারি গড়ে উঠছে রংপুরের এক প্রত্যন্ত গ্রামে। একদল শিক্ষিত ও কৃষিজ্ঞানসম্পন্ন তরুণ বিভিন্ন ফসলের শতভাগ সুস্থ চারা কৃষকের হাতে পৌঁছে দিতে গড়ে তুলেছে ওই নার্সারি। ইতোমধ্যে ওই উদ্যোগ সাড়া ফেলেছে বিভিন্ন এলাকায়।
আবাসিক প্লট ফেলে না রেখে সবজি ও ফল-ফসলে রাজধানীর পূর্বাচলে সমৃদ্ধ খামার গড়ে তুলেছেন শুল্ক বিভাগের কর্মকর্তা কানন কুমার রায়।
টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলায় পাখির জন্য গাছে গাছে মাটির হাঁড়ি বসিয়েছে স্থানীয় বিবর্তন ক্লাব। প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা করতে পাখির জন্য নিরাপদ কৃত্রিম আবাসস্থল স্থাপনের কাজ করছে এই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। উপজেলার নিকরাইল ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামে এই হাঁড়ি বসানো হয়েছে।
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ হাওর হাকালুকি সিলেট ও মৌলভীবাজার জেলায় বিস্তৃত। বাংলাদেশের প্রধান চারটি 'মাদার ফিশারিজ'র মধ্যে হাকালুকি হাওর অন্যতম। বিভিন্ন আকারের ২৭৬টি আন্তঃসংযুক্ত বিলের সমন্বয়ে গঠিত এই হাওরের আয়তন ১৮ হাজার ১১৫ হেক্টর। হাকালুকি হাওরের বিশাল জায়গাজুড়ে রয়েছে জলজ বন। বিভিন্ন ধরনের জলজ ভাসমান উদ্
কাদাকনাথ জাতের কালো মুরগীর খামার গড়ে উঠেছে নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার মজলিশপুরে। ঠোঁট, পেখম থেকে শুরু করে মাংস এমনকি হাড্ডি পর্যন্ত কালো ওই মুরগী সংগ্রহ করে পালন ও বাচ্চা উৎপাদনের বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করেছেন তরুণ উদ্যোক্তা কামরুল ইসলাম মাসুদ।
রংপুর শহরের হাজিপাড়ায় ছাদকৃষি গড়েছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ি আলমগীর হোসেন। ভবন নির্মানের পর পরই ছাদে এক মনোরম পরিবেশ গড়তে তৎপর হয়েছেন তিনি।
একসময় শখের বশে মানুষ কবুতর পালন করত। এখন দিন বদলেছে। তাই তো কবুতর পালন করে সাবলম্বী হয়েছে অনেক বেকার তরুণ। কিন্তু যথাযথ প্রশিক্ষণ না থাকা ও জেলায় নির্দিষ্ট বাজার সৃষ্টি না হওয়ায় ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন খামারিরা। তবে কবুতরের বাজার তৈরিসহ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার আশ্বাস দিলেন জেলা প্রাণিসম্পদ
প্রবল বৃষ্টি, তীব্র শীত উপেক্ষা করে গ্রামের জঙ্গল চষে ৬টি পাখি খুঁজে আবুল হাসনাত মো. নাজমুল কামাল রনি পেয়েছেন 'বিগ বার্ডার অব দ্য ইয়ার' এবং রাশেদুল কবীর ও মুহম্মদ তারিক হাসান দ্বিতীয় ও তৃতীয় হয়ে 'বিগ বার্ড অ্যাওয়ার্ড' লাভ করেছেন। 'পাখিমেলা'য় এই তিন তরুণকে পুরস্কৃত করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের
সার্বিক সুস্থতার জন্য ছাদকৃষি গড়ে তুলেছেন রংপুরের এক চিকিৎসক পরিবার। উদ্ভিদ আর ফল ফসলকে ঘিরেই জীবন পরিপূর্ণ হতে পারে বলে বিশ্বাস ওই পরিবারটির।
রাজধানী মেরুল বাড্ডায় নিজের বাসভবনে সফল ছাদকৃষি গড়ে তুলেছেন আব্দুল খালেক। বিষমুক্ত ফল ফসলের জন্য তিনি দিনে দিনে রপ্ত করেছেন আধুনিক প্রযুক্তি ও জৈব পদ্ধতিগুলোর সঠিক ব্যবহার। সেগুলো এখন অন্যদের জন্যও অনুসরনীয়।
বাংলাদেশে প্রায় ২০ জাতের কবুতর রয়েছে। এ দেশের জলবায়ু এবং বিস্তীর্ণ শস্যক্ষেত্র কবুতর পালনের জন্য খুবই উপযোগী। এটি পরিবারের পুষ্টি সরবরাহ, সমৃদ্ধি, শোভাবর্ধনকারী এবং বিকল্প আয়ের উৎস হিসেবে কার্যকরী ভূমিকা রাখছে। তাই অনায়াসেই কবুতর পালন করতে পারেন।
ছাদকৃষির ভেতর দিয়ে জীবনকে নতুনভাবে দেখার সুযোগ পেয়েছেন যাত্রাবাড়ীর মাফিয়া বেগম। ফল, ফসল, গাছ আর লতাপাতাকে জীবনের অবলম্বন হিসেবে নিয়েছেন তিনি। সেখান থেকেই বহুমুখি প্রাপ্তি তার।
সাভারের আশুলিয়ায় ব্যতিক্রমী কৃষি উদ্যোগ নিয়ে সাড়া ফেলেছেন রাজিয়া সুলতানা নামের এক তরুণী গৃহবধু। ১৮ বিঘা জমিতে তিনি গড়ে তুলেছেন বিদেশি সবজির খামার। কৃষি বিনিয়োগে লাভ নিশ্চিত করতে চুলচেরা হিসাবের নজিরও গড়েছেন তিনি।
মৌলভীবাজারে দেশের বৃহত্তম হাওর হাকালুকি হাওর ও শ্রীমঙ্গলে পাখির অভয়াশ্রম বাইক্কা বিলে এবারও অতিথি পাখির ঢল নেমেছে। প্রতিদিন এখানে নতুন নতুন পাখি দেখা যাচ্ছে। পাখির কলকাকলীতে মুখরিত হয়ে উঠেছে হাকালুকি হাওর ও বাইক্কা বিল। বিশ্বের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত নানা প্রজাতির হাজার হাজার অতিথি পাখি প্রতিদিনই এ
গাছপালা আর পাখপাখালির ভালোবাসায় নিজের জীবনকে জড়িয়ে রেখেছেন প্রিয়দর্শিনী চিত্রনায়িকা ববিতা। ঘরে বাইরে সবখানে শৌখিন কৃষির সঙ্গেই বসবাস তার। বলেছেন, এর মধ্যেই তিনি খুঁজে পেয়েছেন প্রকৃত ভালোবাসা আর জীবনের স্বাদ।
হাজারো পাখির কল কাকলিতে মুখরিত হয়ে উঠেছে নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার আত্রাই নদ। পাখির কিচির মিচির শব্দে ঘুম ভাঙে নদীর দু'পাড়ের মানুষের। আর অতিথি পাখিদের 'নিরাপদ আবাস' গড়তে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন স্থানীয় কয়েকজন যুবক। পাখির অবাধ বিচরণ দেখে ২০১০ সালে পাখিপ্রেমী কাজী নাজমুল, আইনুল ইসলাম, মোকলেসুর রহমান,
চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি এন্ড এনিম্যাল সায়েন্স বিশ্ববিদ্যালয়ে গড়ে ওঠা দেশের বৃহৎ এনাটমি যাদুঘর থেকে বহুভাবে উপকৃত হচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। প্রাণির দৈহিক গঠন ও জীবন প্রণালীর প্রতিটি ক্ষেত্র হাতে কলমে বুঝতে ওই যাদুঘর হয়ে উঠেছে এক সমৃদ্ধ ক্ষেত্র।
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি মৌলভীবাজার ও সিলেট জেলার ৫টি উপজেলায় ২৩৮টি বিল ও ১০টি নদী নিয়ে গঠিত দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম হাওর হাকালুকি। শীত শুরুর সঙ্গে সঙ্গে এ হাওরে শীতপ্রধান দেশ থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে আসতে শুরু করে শত শত প্রজাতির অতিথি পাখি। সুদূর সাইবেরিয়া ও হিমালয়ের পাদদেশ লাদাক থেকে অতিথি পাখি আসে হাক
চট্টগ্রামের দক্ষিণ পতেঙ্গার বিজয়নগরে ছাদকৃষি গড়ে তুলে শারীরিক নানা অসুবিধা থেকে মুক্তি পেয়েছেন নূরুল আলম। ফুল ফল আর বনৌষধির কাননে তার প্রতিটি মুহূর্ত হয়ে উঠেছে সুখময়।
বিজিবির সমন্বিত তৎপরতায় পাল্টে গেছে ঠাকুরগাঁও সীমান্ত এলাকার প্রান্তিক জনজীবন। একসময় সীমান্তে মালামাল পারাপার ছিল যাদের একমাত্র পেশা এখন তারা যুক্ত হয়েছে উৎপাদনমুখি নানাকাজে। অপরাধ কমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এলাকায় এসেছে আর্থ সামাজিক উন্নতি।
ত্রিশ বছরের প্রবাস জীবন শেষে দেশে ফিরে ছাদকৃষিতে নিজেকে যুক্ত করেছেন রাজধানীর মেরুল বাড্ডার আব্দুল মালেক। বলছেন, কৃষিকাজের সুযোগ তার জীবনকে করেছে অনেক বেশি অর্থবহ।
সম্প্রসারিত হচ্ছে হাইড্রোপনিক ঘাস উৎপাদন প্রযুক্তি। বিসিএসআইআর এর সহযোগিতায় বিশ্বমানের এমন প্রকল্প গড়ে তুলেছেন নারায়ণগঞ্জের এক উদ্যোক্তা। দেশীয় পদ্ধতি অনুসরণ করে অল্প ব্যয়ে হাউড্রোপনিক ঘাস উৎপাদনের দৃষ্টান্তও গড়েছেন অনেকে।
শখ কিংবা প্রয়োজন থেকে যারা ছাদকৃষি করছেন তাদের জন্য চুলচেরা এবং বিজ্ঞানসম্মত ব্যবস্থাগুলো নিয়ে গভীর গবেষণায় নেমেছেন তরুণ শিক্ষার্থীরা। দৃশ্যত ফুল-ফল-সবজি উৎপাদনে মনোরম ছাদকৃষি মনে হলেও এখানে চলছে মাছ, শামুক এমনকি ডাককুইটের মত চাষ। চলছে অ্যাকুরিয়ামে রঙিন মাছের বংশ বিস্তারের কাজও।
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের দক্ষিণ হালিশহরে আড়াই’শ বিঘা জমিতে সবজি খামার গড়ে তুলেছেন মুহম্মদ মুহসীন নামের এক ব্যক্তি। প্রতিদিন তার খামার থেকে বাজারে যাচ্ছে ৫/৬ টন টমেটো। বাজারমূল্যও পাচ্ছেন আশাতীত।
সৌখিনতা আর মাটির প্রতি টান থেকেই আসে ছাদকৃষি। যা হতে পারে জীবনের অন্যরকম এক অনুষঙ্গ। এমন বিশ্বাস পশ্চিমবঙ্গের লেক সার্কাসের লিয়াকত হোসেনের। চারতলা ভবনের ছাদে তিনি গড়ে তুলেছেন মনোরম ছাদকৃষি।