অতিথি পাখির মেলা
পটুয়াখালী উপকূলের জলাশয়গুলো এখন অতিথি পাখির কলকাকলিতে মুখর হয়ে উঠেছে। অতিথি পাখির কিচিরমিচির শব্দে এ অঞ্চলের মানুষের ঘুম ভাঙে। দেখে মনে হবে অতিথি পাখির মেলা বসেছে।
পটুয়াখালী উপকূলের জলাশয়গুলো এখন অতিথি পাখির কলকাকলিতে মুখর হয়ে উঠেছে। অতিথি পাখির কিচিরমিচির শব্দে এ অঞ্চলের মানুষের ঘুম ভাঙে। দেখে মনে হবে অতিথি পাখির মেলা বসেছে।
শীত এলেই আমাদের দেশের জলাশয়, বিল, হাওর, পুকুরে দেখা যায় নাম জানা অনেক পাখি। আমরা সেগুলোকে বলি অতিথি পাখি। অতিথি হলেও এরা আমাদের দেশে আসে নিজেদের জীবন বাঁচাতে।
জাতীয় পতাকাসহ বাইসাইকেলে চেপে নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলা থেকে পঞ্চগড় জেলার তেতুলিয়া ও বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত ক্যাম্পিং করেছেন আলমগীর হোসেন। পাখি ও প্রকৃতি সুরক্ষায় নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার খাতামধুপুর ইউনিয়নের তরুণ যুবক আলমগীর হোসেন এমন উদ্যোগ নেন।
এখন হেমন্তকাল। এরই মধ্যে শীতের আমেজ শুরু হয়ে গেছে সবখানে। বিশেষ করে হাওরাঞ্চলে জেঁকে বসেছে শীত। সকালবেলার ঘন কুয়াশায় ঢেকে যাচ্ছে হাওরের জনপদ। শীতের সঙ্গে কাঁধ মিলিয়ে আসতে শুরু করেছে অতিথি পাখি। বিস্তারিত জানাচ্ছেন তন্ময় আলমগীর-
প্রাণিজ প্রোটিনের চাহিদা পূরণের ক্ষেত্রে পোল্ট্রির পাশাপাশি টার্কি মুরগি বিরাট ভূমিকা রাখতে পারে। তাই রাজধানীর বাড্ডায় নিজেদের প্রচেষ্টায় শুরু হয় একটি খামার। এখানে টার্কি, তিতির, উটপাখি ও কোয়েল পাখি পালন করা হয়।